Dreamy Media BD

অর্থনীতি কাকে বলে ! অর্থনীতির উৎপত্তি ও বিকাশ

অর্থনীতি কাকে বলে

অর্থনীতি কাকে বলে 

আমরা জানি যে কোন দেশের উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি হচ্ছে সেই দেশের অর্থনীতি। যে দেশের অর্থনীতির হার যত সমৃদ্ধ সেই দেশ তত বেশি উন্নত। অর্থনীতির জনক অ্যাডাম স্মিথ তার ‘The wealth of Nations’ গ্রন্থে অর্থনীতিকে সম্পদের বিজ্ঞান হিসেবে অভিহিত করেন। তার মতে, “Economics was concerned with an enquiry into the nature causes of wealth of nations”. অর্থাৎ অর্থনীতি হচ্ছে এমন একটি বিষয় যা জাতিসমূহের সম্পদের প্রকৃতি ও কারণ অনুসন্ধান করে।

অধ্যাপক মার্শাল সম্পদের চেয়ে বস্তুগত কল্যাণের দিকে অধিক গুরুত্ত্বারোপ করেন ; অর্থনীতিকে বস্তুগত কল্যাণের বিজ্ঞান হিসেবে অভিহিত করেন। নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক পি. এ. স্যামুয়েলসন এর মতে, “Economics is the study of how men and Society choose, with or without the use of money, to employ scarce productive resources which could have alternative uses, to produce various people and Groups of society”. 

অর্থাৎ কিভাবে মানুষ ও সমাজ অর্থ দ্বারা এবং অর্থের ব্যবহার ব্যতীত দুষ্প্রাপ্য উৎপাদনশীল সম্পর্কে বিভিন্ন প্রকার দ্রব্য উৎপাদনে নিয়োগের জন্য পছন্দ বা নির্বাচন করে এবং সমাজের বিভিন্ন জনগণ ও গোষ্ঠীর মধ্যে বর্তমান অথবা ভবিষ্যৎ ভোগের জন্য কিভাবে তা বন্টন করে সে সংক্রান্ত পর্যালোচনাই হলো অর্থনীতি। নিচে আমরা অর্থনীতি কাকে বলে সম্পর্কে আরও বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব। 

অর্থনীতি কাকে বলে

গ্রিক শব্দ Oikos অর্থ ‘একটি গৃহ’ ও  Nemein অর্থ হলো ব্যবস্থাপনা। এই শব্দ দুটির সন্ধি ‘Oikonomia’।

Oikonomia থেকে  Economics শব্দটি এসেছে বলে ধারণা করা হয়। শব্দগত উৎপত্তি থেকে বলা যায় যে, যে শাস্ত্র দ্বারা গৃহ বা পারিবারিক ব্যবস্থাপনা পরিচালিত হয় তাই হল অর্থনীতি।অন্যভাবে বলা যায়, অর্থনীতি কার্যাবলী নিয়ে যে বিষয়ে আলোচনা করে তাই হলো অর্থনীতি । অর্থনৈতিক কাজ বলতে সেই কাজকে বুঝানো হয় যার বিনিময় মূল্য আছে। 

অর্থনীতির উৎপত্তি ও বিকাশ 

আজকের যে অর্থনীতি আমরা পড়, পূর্বে তা এতটা জটিল ছিড়লো না। আদিম কালে মানুষের জীবনযাপন ছিল অত্যন্ত সহজ-সরল। খাবারদাবার হতে শুরু করে কাপড়-চোপড় এবং বাড়িঘর এসবই ছিল মানুষের মৌলিক চাহিদা। দ্রব্য সামগ্রী বিনিময় রীতি ছিল খুবই সীমি।। মূলত মানুষের কায়িক পরিশ্রম ছিল উৎপাদনের একমাত্র উপকরণ। সমাজে কোন শ্রেণীভেদ ছিল না। হযরত মূসা আঃ এর সময় ২৫০০ খ্রিস্টপূর্ব হিব্রু সত্যতার যুগে ধর্মগ্রন্থে অর্থনীতি বিষয়ে সরল ভাবে কিছু আলোচনা হতো। অর্থনীতি বিষয়ের আলাদা কোন অস্তিত্ব ছিল না। উৎপাদ,  ভোগ ও দৈনন্দিন সংসার পরিচালনার বিদ্যাকেই তখন অর্থনীতি বলা হতো। 

অর্থনীতির প্রকারভেদ 

আধুনিক অর্থনীতিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

  • ব্যাষ্টিক অর্থনীতি 
  • সামষ্টিক অর্থনীতি 

ব্যষ্টিক অর্থনীতি 

ব্যষ্টিক এর ইংরেজি প্রতিশব্দ Micro. Micro শব্দটি গ্রীক শব্দ Mikros হতে এসেছে। Micro শব্দের আভিধানিক অর্থ অতি ক্ষুদ্র বা লক্ষ ভাগের এক ভাগ। অর্থনীতির যে শাখায় বিভিন্ন ক্ষুদ্র এককের বা গ্রুপের অর্থনৈতিক আচরণ বিশ্লেষণ করা হয় তাকে ব্যষ্টিক অর্থনীতি বলে। 

এভাবেও বলা যায়, ব্যক্তি একক (যেমন – ভোক্তা, উৎপাদন ও ফার্ম) এবং দলগত প্রতিষ্ঠান এদের অর্থনীতি কার্যক্রম নিয়ে অর্থনীতির যে অংশ আলোচনা করে তাকে ব্যষ্টিক অর্থনীতি বলে। ব্যষ্টিক অর্থনীতিতে অর্থনৈতিক ঘটনাসমূহের মধ্যে কোন যোগসূত্র থাকে না। ব্যষ্টিক অর্থনীতির আলোচনায় দেশের অর্থনৈতিক বিষয়গুলোর আংশিক বা খন্ড চিত্র পাওয়া যায়।

 ব্যক্তিক অর্থনীতি একক বাজার বা খাতের ভারসাম্য তথা আংশিক ভারসাম্য বিশ্লেষণ এর সাথে সংশ্লিষ্ট। ব্যষ্টিক অর্থনীতি কোন নির্দিষ্ট ফার্ম, কোন নির্দিষ্ট পরিবা,  একক দ্রব্যমূল্য, মজুরি আয় এবং একক শিল্প প্রতিষ্ঠান এবং নির্দিষ্ট দ্রব্য সম্বন্ধে আলোচনা করে। 

সামষ্টিক অর্থনীতি 

সামষ্টিক এর ইংরেজি প্রতিশব্দ Macro.Macro শব্দটি গ্রীক শব্দ Makros থেকে এসেছে। Macro   শব্দের আভিধানিক অর্থ বিশাল। বৃহৎ পরিবেশে অর্থনৈতিক কার্যক্রম নিয়ে যে শাস্ত্র আলোচনা করে তাকে সামষ্টিক অর্থনীতি বলে। প্রক্ষান্তরে সামষ্টিক অর্থনীতি কোন ব্যক্তির আয়ের পরিবর্তে জাতীয় আয,  কোন নির্দিষ্ট দ্রব্যমূল্যের পরিবর্তে সাধারণ মূল্যস্তর, দ্রব্যের ব্যক্তিগত উৎপাদনের পরিবর্তে জাতীয় উৎপাদন নিয়ে আলোচনা করে।

সামষ্টিক অর্থনীতির বিশ্লেষণের দেশের অর্থ ব্যবস্থার বৃহত্তম চিত্র পাওয়া যায়। সুতরাং অর্থনীতির যে শাখায় একটি  অর্থ ব্যবস্থার সামগ্রিক আচরণ বিশ্লেষণ করা হয় তাকে সামষ্টিক অর্থনীতি বলে। সামষ্টিক অর্থনীতি আন্তঃ বাজার বা বিভিন্ন খাতের পারস্পরিক ভারসাম্য তথা সামগ্রিক ভারসাম্য বিশ্লেষণ এর সাথে সংশ্লিষ্ট। 

অর্থনীতির জনক 

অ্যাডাম স্মিথকে (Adam smith) অর্থনীতির জনক বলা হয় কারণ তিনি অর্থনীতিকে একটি স্বতন্ত্র বিষয় হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন। তার পূর্বে অর্থনীতিকে রাজনীতির একটি শাখা হিসেবে বিবেচনা করা হতো। 

অর্থনীতির পরিধি / বিষয়বস্তু 

অর্থনীতি একটি সামাজিক বিজ্ঞান। অর্থনীতির আওতা বা বিষয়বস্তু সম্পর্কে অর্থনীতিবিদদের মধ্যে মতভেদাভেদ রয়েছে। অর্থনীতি একটি গতিশীল শাস্ত্র। এর আওতায় ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিচে অর্থনীতির বিষয়বস্তু সম্পর্কে আলোচনা করা হলো-

  •  অর্থনৈতিক কার্যকলাপ। 
  • সামাজিক বিজ্ঞান। 
  • সমাজবদ্ধ মানুষের সমস্যা সমাধানের পথ নির্দেশক। 
  • বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় মূল্য নির্ধারণ। 
  • জাতীয় আয়, উৎপাদন ও নিয়োগ। 
  • সরকারি আয় ব্যয়। 
  • সীমাবদ্ধ সম্পদ ও অসীম অভাবের মধ্যে সমন্বয় সাধন। 
  • নিরপেক্ষ বিজ্ঞান। 
  • আন্তর্জাতিক বাণিজ্য। 

বিশ্বায়নের যুগে অর্থনীতির ক্ষেত্র দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে। তবে সহজ ভাষায় বলতে হলে অর্থের সাহায্যে পরিমাপযোগ্য সকল কার্যাবলী অর্থনীতির আওতাভুক্ত। 

অর্থনৈতিক ব্যবস্থা 

অর্থনীতি আধুনিক সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সমগ্র দেশের দর্পণ হলো অর্থনৈতিক ব্যবস্থা। বিভিন্ন সমাজভেদে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। প্রতিটি সমাজ ব্যবস্থা নির্দিষ্ট কিছু রীতিনীতি আছে। কোন দেশের সমাজ ব্যবস্থায় যেসব অর্থনৈতিক রীতিনীতি রয়েছে তাকে মূলত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বলে। কোন দেশের উৎপাদন, ভোগ, বন্ট,  বিনিয়ো,  বিনিময,  বাণিজ্যের ধরন ও সরকারি নিয়ন্ত্রণের প্রেক্ষিতে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। সুতরাং দেশ ও সমাজভেদে  অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ভিন্ন হয়ে থাকে। 

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অবস্থা,  ধর্ম-বর্ণ, বৈশিষ্ট্য অনুসারে বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। সাধারণত চার ধরনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা পরিলক্ষিত হয়। 

  • পুঁজিবাদী বা ধনতান্ত্রিক অর্থ ব্যবস্থা। 
  • সমাজতান্ত্রিক অর্থ ব্যবস্থা। 
  • মিশ্র অর্থ ব্যবস্থা। 
  • ইসলামী অর্থ ব্যবস্থা। 

অর্থনীতি পাঠের গুরুত্ব / প্রয়োজনীয়তা 

বর্তমান যুগে অর্থনীতি পাঠের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। ঊনবিংশ শতাব্দীতে অনেকেই অর্থনীতিকে যক্ষের বা বিমর্ষ বিজ্ঞান বলে নিন্দা করত। কিন্ত বর্তমান যুগে অর্থনীতি পাঠের প্রয়োজনীয়তা সর্বজনস্বীকৃত। এর প্রয়োজনীয়তা নিচে আলোচনা করা হলো-

  • মানুষের দৈনন্দিন জীবনে 
  • সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের ক্ষেত্রে 
  • ব্যবসা-বাণিজ্য ও উৎপাদনের ক্ষেত্রে 
  • সমাজ কর্মীদের কাজে 
  • বিদ্যা চর্চার ক্ষেত্রে 
  • শ্রমিক নেতাদের ক্ষেত্রে 
  • প্রশাসনের ক্ষেত্রে 
  • অনুন্নত দেশের অর্থনীতিকে উন্নয়নের ক্ষেত্রে 
  • পরিকল্পনা প্রণয়নে ও রূপায়ণে 

উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে বলা যায় য,  মানব সভ্যতা বিকাশের সাথে সাথে অর্থনীতি একটি কল্যাণমুখী সামাজিক বিজ্ঞানের মর্যাদা লাভ করেছে। ফলে এর তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক গুরুত্ব ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। অর্থনীতি পাঠের গুরুত্ব সম্পর্কে অধ্যাপক মার্শাল বলেন, “অর্থনীতি পাঠ করা অবশ্যই প্রয়োজন”।

অর্থনীতি কি একটি বিজ্ঞান ?

অর্থনীতি বিজ্ঞান কি না সে সম্বন্ধে যথেষ্ট মতভেদ রয়েছে। অর্থনীতিবিদ Wotton বলেন, যেখানে ছয় জন অর্থনীতিবিদ সমাবেত হন সেখানেই সাতটি অভিমত প্রকাশিত হয়। এজন্য অনেকে অর্থনীতিকে বিজ্ঞান বলে স্বীকার করে না। আবার অনেকের মতে অর্থনীতিকে বিজ্ঞান বলে অভিহিত করা যায়। এটি বিজ্ঞান কিনা তা জানার জন্য প্রথমে আমাদের জানতে হবে বিজ্ঞান কি? “বিজ্ঞান বলতে কোন এক শ্রেণীভুক্ত বিষয় সমূহ সম্পর্কে শৃঙ্খলাবদ্ধ জ্ঞান কে বুঝায়”।

পরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণ দ্বারা এই জ্ঞান নির্ণীত হয় এবং এভাবে নির্ণীত জ্ঞান হতে কতগুলো সাধারণ সূত্র নির্ধারণ করা হয়। এটাই হলো বিজ্ঞানের বৈশিষ্ট্য। এ সংজ্ঞা অনুযায়ী অর্থনীতিকে বিজ্ঞান বলে অভিহিত করা যায়। কারণ অর্থনীতি মানুষের কার্যাবলীর বিশেষ একটি দিক শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে আলোচনা করে। এটি মানুষের আয় ব্যয় সংক্রান্ত কার্যাবলী আলোচনা করে এবং এদের মধ্যে পারস্পরিক কার্যকরণ সম্পর্কে বিশ্লেষণ করে কতগুলো সূত্র প্রণয়ন করে। আবার অনেকের মতে অর্থনীতি বিজ্ঞান নয়। কারণ অর্থনীতির বিষয়বস্তু হলো মানুষ ও তার কার্যাবলী।

 কিন্তু মানুষ ইচ্ছা শক্তি সম্পন্ন জীব। তার স্বাধীন চিন্তা বোধ রয়েছে। ফলে মানুষের আচরণ ও তার আশা আকাঙ্ক্ষাকে একটি বিশেষ নিয়মের অধীনে শৃঙ্খলাবদ্ধ করা যায় না। তাছাড়া প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের ন্যায় অর্থনীতির পরীক্ষাও গবেষণার সুযোগ নেই। 

উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে বলা যায় য,  অর্থনীতির সূত্রগুলো প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের সূত্রগুলোর ন্যায় সঠিক না হলেও অর্থনীতিকে বিজ্ঞানের পর্যায়ে হতে বাদ দেওয়া যায় না। সুতরাং, অর্থনীতিকে নিঃসন্দেহে একটি বিজ্ঞান বলা যায়। তবে পদার্থ, রসায়ন ও প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের মত এটি নিখুঁত বিজ্ঞান নয়। অর্থনীতি মূলত একটি সামাজিক বিজ্ঞান। 

উপসংহার 

কিভাবে মানুষ ও সমাজ অর্থ ধারা এবং অর্থের ব্যবহার ব্যতীত দুষ্প্রাপ্য উৎপাদনশীল সম্পর্কে বিভিন্ন প্রকার দ্রব্য উৎপাদনে নিয়োগের জন্য পছন্দ বা নির্বাচন করেন এবং সমাজের বিভিন্ন জনগণ ও গোষ্ঠীর মধ্যে বর্তমান অথবা ভবিষ্যৎ ভোগের জন্য কিভাবে তা বন্টন করে সে সংক্রান্ত পর্যালোচনা হলো অর্থনীতি। অর্থনীতি একটি সামাজিক বিজ্ঞান। 

অর্থনীতি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর 

প্রশ্ন- অর্থনীতি কি বিষয়ক বিজ্ঞান? 

উত্তর – অর্থনীতি হলো সামাজিক বিষয়ক বিজ্ঞান। 

প্রশ্ন – অর্থনীতির জনক কে? 

উত্তর – এ্যাডাম স্মিথ। 

 প্রশ্ন – অর্থনীতি কাকে বলে?

উত্তর – যে শাস্ত্র দ্বারা গৃহ বা পারিবারিক ব্যবস্থাপনা পরিচালিত হয় তাই হল অর্থনীতি। 

Also read: ব্যবস্থাপনা কাকে বলে

Related Post

খুশির স্ট্যাটাস

200+ স্টাইলিশ খুশির স্ট্যাটাস | হাসি নিয়ে ক্যাপশন

খুশির স্ট্যাটাস | হাসি নিয়ে ক্যাপশন জীবনের সুন্দর খুশির মুহূর্ত আমরা সবাই বাঁধাই করে রাখতে চাই। আর এই খুশির মুহূর্তকে ধরে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায়

Read More »
❤love status bangla | ভালোবাসার ছন্দ | রোমান্টিক ছন্দ | প্রেম ছন্দ স্ট্যাটাস❤

স্টাইলিশ ভালোবাসার ছন্দ | রোমান্টিক ছন্দ | Love Status Bangla

❤❤ভালোবাসার ছন্দ | ভালোবাসার ছন্দ রোমান্টিক | ভালোবাসার ছন্দ স্ট্যাটাস❤❤ ভালোবাসা হলো এক অন্যরকম অনুভূতির নাম, যা শুধুমাত্র কাউকে ভালবাসলেই অনুভব করা যায়। আমরা বিভিন্নভাবে

Read More »
মন খারাপের স্ট্যাটাস

মন খারাপের স্ট্যাটাস, উক্তি, ছন্দ, ক্যাপশন, কিছু কথা ও লেখা

মন খারাপের স্ট্যাটাস মন খারাপ – এই কষ্টের অনুভূতি কার না হয়? সবারই কখনো না কখনো সবারই মন খারাপ হয়। জীবনের ছোটোখাটো অঘটন থেকে শুরু

Read More »
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের উক্তি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের উক্তি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের উক্তি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বলা হয় বিশ্বকবি। তিনি ছিলেন একজন বিচক্ষণ ও গুনী লেখক। প্রেম চিরন্তন এবং সত্য। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাঙালীর মনে প্রেমের

Read More »
ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা

ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা | Breakup Status Bangla

ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা আপনি কি আপনার প্রিয়জনের সাথে সম্পর্ক থেকে বের হয়ে এসেছেন? আর সেটা আপনি কোন ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা মাধ্যমে বোঝাতে চাচ্ছেন। তাহলে আপনি

Read More »

Leave a Comment

Table of Contents