Dreamy Media BD

কিডনি রোগের কারণ লক্ষণ ও প্রতিকার

কিডনি রোগের কারণ লক্ষণ ও প্রতিকার

কিডনি রোগের কারণ লক্ষণ ও প্রতিকার

কিডনি রুগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়ে চলেছে। মহামারী আকারে ছড়িয়ে পরছে কিডনি রোগ৷ এক সমীক্ষা থেকে দেখা গেছে প্রতি ঘন্টায় বাংলাদেশে পাচ জন মানুষ মারা যায় কিডনি রোগে আক্রান্তের কারনে। যখন কিডনির ৭০ – ৮০% নষ্ট হয়ে যায় সেই কিডনি আর পুনরায় আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেয়ার সম্ভাবনা খুব কম থাকে। কিন্তু রোগের প্রাথমিক দেখে সনাক্ত করা গেলে এই রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করা যায়। কিডনি রোগের কারণ লক্ষণ ও প্রতিকার .

কিডনির কাজ কি 

কিডনি রোগের লক্ষন এবং প্রতিকারের আগে জেনে নিন কিডনির কাজ কি –

মানবদেহের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ জীবনে চলার পথে জরুরী। কিন্তু অনেক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ছাড়াও মানুষ চলতে পারে। যেগুলো ছাড়া মানুষ চলতে পারেনা তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে কিডনি৷ আমাদের সুস্থতার জন্য কিডনি অপরিহার্য। কিডনি যে ধরনের গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকে-

  • কিডনি শরীর থেকে দূষিত পদার্থ এবং অতিরিক্ত তরল বের করে দেয়।
  •  রক্তের পি এইচ অথবা পটেনশিয়াল অব হাইড্রোজেন নিয়ন্ত্রন  করে। যা আমাদের শরীর সুস্থ রাখার জন্য জরুরী।
  •  কিডনি শরীরের লবন এবং পটাশিয়াম এর মাত্রাও নিয়ন্ত্রন করে সুস্থতায় সাহায্য করে থাকে।
  •  কিডনি শরীরের হরমোন তৈরি করে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রন করে, লাল রক্তের উৎপাদনে সাহায্য করে এবং ক্যালসিয়াম শোষনে সাহায্য করে।

কিডনি রোগের লক্ষন

প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া 

কিডনি রোগের প্রাথমিক লক্ষন গুলোর মধ্যে অন্যতম লক্ষন হচ্ছে প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া হবে৷ প্রস্রাব করার সময় প্রস্রাবের রাস্তায় অসহ্য জ্বালাপোড়া হবে। 

ঘনঘন প্রস্রাব

কিডনি রোগের অন্যতম লক্ষন হচ্ছে ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া। বয়স ভেদে প্রস্রাবের তারতম্য হতে পারে। যেমন অল্প বয়স্ক বাচ্চা দিনে যদি বার থেকে তের বারের বেশি প্রস্রাব করে, তাহলে সেটি অস্বাভাবিক। আবার প্রাপ্তবয়স্ক কোনো মানুষ যদি দিনে সাত থেকে আটবারের বেশি প্রস্রাব করে তাহলে সেটি অস্বাভাবিক। যদি কোনো প্রাপ্তবয়স্ক লোক ঘন ঘন প্রস্রাব করে তাহলে সেটি কিডনি রোগের লক্ষন হিসেবে ধরা হয়। 

প্রস্রাবের রঙের পরিবর্তন 

সাধারন অবস্থায় প্রস্রাবের রঙ সাদা পা পানির মত হয়। কিন্ত কেউ যদি কিডনি রোগে আক্রান্ত হয় তাহলে সেই ব্যক্তির প্রস্রাবের রঙ পরিবর্তন হয়। সাধারণত সেই ব্যক্তি তখন লাল বা হলুদ রঙের প্রস্রাব করে থাকে।

প্রস্রাবের সাথে জ্বালা বা ব্যথা 

সাধারন অবস্থায় প্রস্রাবের সময় কোনো জ্বালা বা ব্যথা হয় না৷ কিন্তু যখন কিডনিতে সমস্যা  হয় তখন প্রস্রাবের সময় অনেক ব্যথা হয়। 

পেটে বা পিঠে ব্যথা

কিডনির অন্যান্য লক্ষনের সাথে সাথে কিডনি রোগিদের পেটে অথবা পিঠে ব্যথা হতে পারে। কোমরের দুই পাশে, তলপেটে প্রচন্ড ব্যথা অনুভুত হয়।

হাত পা মুখ ফুলে যাওয়া

শরীর ফুলে যাওয়া কিডনি রোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লক্ষন। যারা কিডনি রোগে আক্রান্ত হয় তাদের মুখ অস্বাভাবিক ভাবে ফুলে যায়। অনেক সময় পা ফুলে যায়। 

বমিবমি ভাব

কিডনি রোগের অন্যান্য প্রাথমিক লক্ষন প্রকাশের সাথে সাথে রুগীর বমিভাব দেখা দেয়। দিনে কয়েক বার করে বমি করে।

শ্বাসকষ্ট 

শ্বাসকষ্ট কিডনি রোগের অন্যান্য লক্ষন প্রকাশিত হওয়ার পরে দেখা দেয়৷ যখন রুগি অনেক দূর্বল হয়ে পরে তখন রুগীর শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দেয়।

ওজন কমে যাওয়া

হঠাৎ করেই ওজন হ্রাস পেতে থাকা কিডনি রোগের অন্যতম লক্ষন। 

শীত অনুভূত হওয়া

যারা কিডনি রোগে আক্রান্ত হয় তাদের গরমের সময়ও শীত অনুভুত হতে পারে। 

শরীরের বিভিন্ন অংশে চুলকানী বা র‍্যাশ হওয়া

কিডনি রোগে আক্রান্তদের শরীরে র‍্যাশ বা চুলকানী হয়ে থাকে। এমনকি যদি কারো পূর্বে এলার্জীর সমস্যা না থাকে তাদেরও শরীরে প্রচন্ড চুলকানী হয় এবং র‍্যাশ ওঠে। 

মনোযোগ কমে যাওয়া

কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা কোনো কিছুতে মনোযোগ ধরে রাখতে পারেননা। সব সময় অস্থিরতা দেখা দেয়। অনেকে খিটখিটে মেজাজেরও হয়ে থাকে।

কিডনি রোগের চিকিৎসা এবং প্রতিকারের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে কিডনি রোগের কারন জানা। কারন কিডনি রোগের কারন জানা থাকলে মানুষ সচেতন হবে এবং কিডনি রুগীর সংখ্যা কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। 

কিডনি রোগের কারন

উচ্চ রক্তচাপ 

কিডনি নষ্ট হওয়ার অন্যতম কারন হচ্ছে উচ্চরক্তচাপ। গবেষনায় দেখা গেছে ১৫ থেকে ২০% লোক উচ্চরক্তচাপ এর কারনে কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়।   উচ্চরক্তচাপ এর কারনে কিডনির রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে৷ যখন রক্তনালী গুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে সরু হয়ে যায় তখন কিডনিতে রক্ত প্রবাহ কমে যায়। যার ফলে রক্তের সাথে দুষিত পদার্থ গুলো নালীতে আটকে যায়। ফলে তখন কিডনি তার কার্যকারীতা হারিয়ে ফেলে এবং কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ডায়াবেটিস 

গবেষণা থেকে জানা গেছে ২০- ৩০% ডায়াবেটিস রুগীরা তাদের জীবনের এক সময় কিডনি রীগে আক্রান্ত হয়েছেন। ডায়াবেটিস হলে শরীরের স্বাভাবিক এর চেয়ে বেশি শর্করার পরিমান বেড়ে যায়৷ যেহেতু ডায়াবেটিস রুগীদের শরীর ইনসুলিন সঠিক ভাবে কাজ করতে পারেনা। যার ফলে অতিরিক্ত শর্করার প্রভাবে  কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

অতিরিক্ত ওজন

অতিরিক্ত ওজন শরীরে প্রদাহ সৃষ্টি করে। গবেষনায় দেখা গেছে অতিরিক্ত ওজন কিডনি রোগের অন্যতম কারন। কারন অতিরিক্ত ওজনের মানুষের শরীরে প্রদাহ হয় যা কিডনির জন্য ক্ষতিকর।

উচ্চ কোলেস্টেরল

উচ্চ কোলেস্টেরল যাদের সমস্যা তাদের কিডনি রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

কিছু ঔষুধ

যারা বেশি ব্যথার ওষুধ খান তাদের কিডনি নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। কিডনির কাজ হলো শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ এবং অতিরিক্ত তরল অপসারণ করা। কিন্তু কেউ যখন অতিরিক্ত ওষুধ খান তখন তার কিডনি আগের মত তরল বা ময়লা অপসারণ করতে পারেনা। আবার কিছু ওষুধ আছে যেগুলো রক্তের স্বাভাবিক প্রদাহকে বাধাগ্রস্ত করে।

কিডনির সংক্রমণ এর জন্য যে ওষুধ গুলো বেশি দায়ী যেমন-

আ্যন্টিবায়োটিক ওষুধ

এন্টি – ইনফ্লামেটরী ওষুধ

ব্যথা নাষক ওষুধ

ক্যান্সারের ওষুধ

মুত্রনালীর সংক্রমন

মুত্রনালীর সংক্রমন থেকেও কিডনি রোগ হতে পারে। কিডনির কাজ হলো ময়লা পদার্থ কে শরীর থেকে ছেকে বের করে দেয়া। কিন্তু যখন মুত্রনালীতে সংক্রমণ হয় তখন কিডনি ময়লা বের করে দিতে বাধাগ্রস্থ হয় যার ফলে কিডনি নষ্ট হয়।

জিনেটিক 

চিকিৎসা বিজ্ঞানে কিডনি রোগকে বংশগত রোগও বলা হয়ে থাকে। যদি বংশে কারো কিডনি রোগ হওয়ার ইতিহাস থাকে তাহলে পরবর্তী বংশধরদের কিডনি রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

ধুমপায়ী এবং ষাটোর্ধ ব্যক্তি

কিডনিতে আক্রান্ত রুগীদের উপর গবেষনা করে দেখা গেছে ২০ – ২৫%  কিডনি রুগী অতিরিক্ত ধুমপান করেন এবং তাদের বয়স বেশি। অর্থাৎ অতিরিক্ত ধুমপায়ী ব্যক্তিরা কিডনি রোগে আক্রান্ত হতে পারেন এবং যাদের বয়স ষাট এর কোঠা পেরিয়েছে তারাও ঝুঁকিতে থাকেন।

পর্যাপ্ত পানি পান না করা

প্রতিদিন সাত থেকে আট গ্লাস পানি পান করা শরীরের জন্য উপকারী। যারা অল্প পানি পান করেন তাদের কিডনি রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অল্প পরিমান পানি পান না করাও কিডনি রোগের অন্যতম একটি কারন। শরীরের মেটাবলিক এবং অন্যান্য কার্য সম্পাদনের জন্য পানির প্রয়োজন হয়। কিন্তু যখন শরীরে পানি থাকেনা তখন কিডনি বিকল হওয়া সহ বিভিন্ন রোগ দেখা দেয়।

কিডনি রোগ প্রকারভেদ 

কিডনি রোগের কারন জানার পর জরুরী হচ্ছে কিডনি রোগ সম্পর্কে জানা। অর্থাৎ কিডনি রোগ কত ধরনের হয়ে থাকে। সাধারণত চিকিৎসকরা কিডনি রোগকে দুই ভাগে ভাগ করে থাকেন। 

. আকস্মিক কিডনি বৈকল্য (একিউট কিডনি ইনজুরি) 

অর্থাৎ হঠাৎ কোনো ধরনের লক্ষন ছাড়াই কিডনি নষ্ট হয়ে যায়। 

. দীর্ঘস্থায়ী কিডনির রোগ (ক্রনিক ডিজিজ) 

দীর্ঘস্থায়ী কিডনির রোগের ক্ষেত্রে কিডনি ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়। কিডনি নষ্ট হওয়ার লক্ষন গুলো ধীরে ধীরে প্রকাশ পেতে থাকে। প্রায় সব লক্ষন প্রকাশ না পাওয়া পর্যন্ত রুগী স্বাভাবিক ভাবে চলাফেরা করতে পারে। 

চিকিৎসকদের মতে আকস্মিক এবং দীর্ঘস্থায়ী দুই ধরনের রোগই সঠিক সময়ে চিকিৎসার দ্বারা ভাল করা সম্ভব।

আবার অন্যভাবে বলতে গেলে দুইভাবে কিডনি রোগকে ভাগ করা যায়। যথা:

১. মেডিক্যাল

মেডিক্যাল কিডনি রোগের চিকিৎসা নেফ্রোলজিষ্টরা করে থাকেন। এ চিকিৎসায় মেডিসিন দ্বারা কিডনি রোগ ভাল করা হয়। তবে শুধু ওষুধ দিয়ে কিডনি সুস্থ না হলে ডায়ালাইসিস বা কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়।  কিডনি ফেইলিউর, প্রস্রাবে সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস থেকে কিডনির অসুখ, এবং  নেফ্রোটিক সিনড্রোম ইত্যাদি।

২. সার্জিকাল 

এ ক্ষেত্রে ইউরোলজিষ্টরা এন্ডোসকপি, লিথোট্রিপসির প্রয়োগ করে চিকিৎসা করে থাকেন। এই চিকিৎসা পদ্ধতিতে কিডনি সুস্থ হলে তাকে সার্জিক্যাল কিডনি রোগ বলা হয়ে থাকে। মুত্রনালীতে পাথর, প্রটেষ্টের রোগ, মুত্রিনালীতে জন্মগত অসুখ, মুত্রনালীতে ক্যান্সার  হচ্ছে  এসব রোগের মধ্যে অন্যতম। 

কিডনি রোগের প্রতিকার

ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রন

যাদের ডায়াবেটিস সমস্যা রয়েছে তাদের ডায়াবেটিস ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে রাখতে হবে। নিয়মিত ইনসুলিন  নিতে হবে।  উচ্চরক্তচাপ এর সমস্যা থাকলে নিয়ন্ত্রনের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ বা পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

নিয়মিত শারিরীক পরিশ্রম 

যারা দীর্ঘ সময় অফিস করেন  বা বসে কাজ করেন তারা প্রতিদিন সকাল এবং বিকেল হাটতে হবে, ব্যয়াম করতে হবে। সব সময় লিফট ব্যবহার না করে সিড়ি বেয়ে ওঠানামা করা যেতে পারে। 

শরীরের অতিরিক্ত ওজন নিয়ন্ত্রণ 

যাদের অতিরিক্ত ওজন আছে তারা ওজন নিয়ন্ত্রণ করবেন। কারন অতিরিক্ত ওজন কিডনি রোগের জন্য দায়ী। নিয়মিত এক্সারসাইজ,  ডায়েট প্ল্যানিং এর মাধ্যমে ওজন কমিয়ে ফেলতে হবে। অতিরিক্ত খাবার প্রবনতা থাকলে কমাতে হবে। ওজন নিয়ন্ত্রনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ক্যালরী হিসেব করা৷ অর্থাৎ প্রতিদিন কি পরিমান ক্যালরী গ্রহন করছেন এবং বার্ন করছেন তা হিসেব করতে হবে। তাহলে খুব কম সময়ে ওজন কমিয়ে ফেলতে পারবেন।

ধূমপান ত্যাগ করা

আপনার যদি অতিরিক্ত ধূমপান করার অভ্যাস থাকে তাহলে ত্যাগ করতে হবে। কারন ধূমপানের কারনে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

অতিরিক্ত লবন পরিহার

অনেকেই আছেন যারা অতিরিক্ত লবন খেতে ভালবাসেন। তারা অকালে কিডনি রোগকে টেনে আনেন। তাই যদি আপনার  অতিরিক্ত লবন খাওয়ার অভ্যাস থাকে তাহলে আজই পরিহার করুন। কারন অরিতিক্ত লবন খেলে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ 

অতিরিক্ত কোলেস্টেরল থাকলে তা স্বাভাবিক মাত্রায় আনার চেষ্টা করুন। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রনের জন্য বেছে বেছে খাবার গ্রহন করুন এবং প্রয়জনে ওষুধ খান।

ব্যথার ওষুধ পরিহার

সামান্য কিছু হলেই ওষুধ খাওয়ার বদ অভ্যাস পরিহার করুন। অতিরিক্ত ওষুধ কিডনির জন্য ক্ষতিকর।  বিশেষ করে ব্যথার ওষুধ, আ্যন্টিবায়োটিক ধরনের ওষুধ খুব প্রয়োজন না হলে খাবেন না।

বেশি করে শাক সবজি খাওয়া

প্রতিদিন বেশি করে শাক সবজি এবং ফলমূল খাদ্য তালিকায় রাখুন। সবুজ শাক সবজি কিডনিকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। 

আপনার যদি কিডনি রোগ থাকে তাহলে  ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ফলমুল খাবেন না। 

চিকিৎসক এর পরামর্শ ছাড়া ওষুধ নয়

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য হলেও যখন তখন ওষুধ খাওয়া উচিৎ নয়। খুব প্রয়োজন হলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করতে হবে।

পানি পান

পর্যাপ্ত পরিমান পানি পান না করার জন্য দেশে কিডনি রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বেড়েই চলছে। তাই প্রতিদিন ছয় থেকে সাত গ্লাস পানি পান করুন। নিয়মিত পানি পান করলে কিডনি সুস্থ থাকবে।

মুত্র চেপে না রাখা

মুত্রের বেগ আসলে সাথে সাথে মুত্র ত্যাগ করে আসুন৷ মুত্র চেপে রাখার জন্যেও অনেক সময় কিডনিতে পাথর সহ কিডনির নানান জটিলতা দেখা দেয়। তাই সময় মত মুত্র ত্যাগ করুন।

কিডনি আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। তাই কিডনিকে সুস্থ রাখতে হলে নিয়ম মেনে চলতে হবে এমন কোনো কাজ করা যাবেনা যা কিডনির জন্য ঝুকিপূর্ণ।  কিডনি রোগের যদি কোনো লক্ষন দেখা দেয় দেরী না করে তৎক্ষনাৎ চিকিৎসক এর পরামর্শ নিতে হবে। কিডনি সুস্থ রাখার জন্য নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে এবং পানি পানি পান করতে হবে। মনে রাখবেন প্রতিকার এর চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম।

Also Read: কোষ্ঠকাঠিন্য চিরতরে দূর করার উপায়

Related Post

খুশির স্ট্যাটাস

200+ স্টাইলিশ খুশির স্ট্যাটাস | হাসি নিয়ে ক্যাপশন

খুশির স্ট্যাটাস | হাসি নিয়ে ক্যাপশন জীবনের সুন্দর খুশির মুহূর্ত আমরা সবাই বাঁধাই করে রাখতে চাই। আর এই খুশির মুহূর্তকে ধরে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায়

Read More »
❤love status bangla | ভালোবাসার ছন্দ | রোমান্টিক ছন্দ | প্রেম ছন্দ স্ট্যাটাস❤

স্টাইলিশ ভালোবাসার ছন্দ | রোমান্টিক ছন্দ | Love Status Bangla

❤❤ভালোবাসার ছন্দ | ভালোবাসার ছন্দ রোমান্টিক | ভালোবাসার ছন্দ স্ট্যাটাস❤❤ ভালোবাসা হলো এক অন্যরকম অনুভূতির নাম, যা শুধুমাত্র কাউকে ভালবাসলেই অনুভব করা যায়। আমরা বিভিন্নভাবে

Read More »
মন খারাপের স্ট্যাটাস

মন খারাপের স্ট্যাটাস, উক্তি, ছন্দ, ক্যাপশন, কিছু কথা ও লেখা

মন খারাপের স্ট্যাটাস মন খারাপ – এই কষ্টের অনুভূতি কার না হয়? সবারই কখনো না কখনো সবারই মন খারাপ হয়। জীবনের ছোটোখাটো অঘটন থেকে শুরু

Read More »
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের উক্তি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের উক্তি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের উক্তি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বলা হয় বিশ্বকবি। তিনি ছিলেন একজন বিচক্ষণ ও গুনী লেখক। প্রেম চিরন্তন এবং সত্য। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাঙালীর মনে প্রেমের

Read More »
ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা

ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা | Breakup Status Bangla

ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা আপনি কি আপনার প্রিয়জনের সাথে সম্পর্ক থেকে বের হয়ে এসেছেন? আর সেটা আপনি কোন ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা মাধ্যমে বোঝাতে চাচ্ছেন। তাহলে আপনি

Read More »

Leave a Comment

Table of Contents