Dreamy Media BD

গরমে বাচ্চার ত্বকের যত্ন

গরমে বাচ্চাদের ত্বকের যত্ন

বাচ্চার যত্নে পিতা-মাতা হিসেবে সর্বোচ্চ সেরা টাই দিতে হবে। বাচ্চাদের ত্বক বড়দের তুলনায় পাঁচ পাঁচ গুণ দ্রুত শুষ্ক হয়ে যায় এবং তখন বেশি সংবেদনশীল। বিশেষ করে আমরা যারা নতুন মা তারা বেশি চিন্তা করি যে গরমে বাচ্চার ত্বকের যত্ন কিভাবে নেব, কোন ক্রিম ভালো হবে, বা ময়েশ্চারাইজার লাগাবো কিনা ইত্যাদি। তাই গরমে শিশুর অন্যান্য যত্ন নেওয়ার পাশাপাশি ত্বকের যত্নে একটু বেশি সময় দিতে হবে। আজকে এই আর্টিকেল থেকে আমরা জানবো কিভাবে বাচ্চাদের গরমে ত্বকের যত্ন নিতে হবে।

গরমে বাচ্চাদের ত্বকের যত্ন

গরমের সময় বাচ্চাদের বিভিন্ন ধরনের রোগ দেখা যায় যা তাদের শারীরিক ও মানসিক সমস্যার কারণ হয়ে পড়ে। বর্তমানে আমাদের দেশে গরমে আবহাওয়া অনেক তীব্র থাকে। শুধু শিশুরা নয় বরং যুবকেরাও এই গরমে অতিষ্ঠ হয়ে যায়।গরমে বাচ্চার ত্বকের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন-

  • গরমের সময় বাচ্চাদের ত্বকে নানা ধরনের রোগের উপসর্গ দেখা যায়। ঘামাচি, র‍্যাস, ফুসকুড়ি বিশেষ করে যেসব মায়েরা বাচ্চাদের ২৪ ঘন্টা ডায়পার পরান সেসব বাচ্চার ডায়পার পরানোর জায়গায় পুরোটাই লাল র‍্যাস হয়ে যায়। তাই এই সময় একটু বেশি সাবধান হতে হবে পারলে বেশি গরমে ডায়পার না পারানোই ভালো। কেননা ডায়পার পরালে বাচ্চাদের বাতাস কম লাগে এবং ঘাম বেশি হয়। 
  • বাচ্চাদের ত্বকে তেল মালিশ করা বেশ ভালো। বিশেষ করে গোসল করানোর আগে তেল মালিশ করে কুসুম  গরম পানি দিয়ে শরীরটুকু ধুয়ে ফেলতে হবে এবং গামছা বা নরম সুতির কাপড় দিয়ে মুছে দিতে হবে। 
  • বাচ্চাদের শরীরে যেসব ভাজে ময়লা লেগে থাকে যেমন- গলা, হাটু ও ঘাড় ইফতারি জায়গা ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে।
  • বাচ্চাদের জন্য ট্যালকম নামে যে পাউডার রয়েছে সেটি উপযুক্ত না। এটি শ্বাসযন্ত্রের জন্য  ক্ষতির কারণ হতে পারে। এজন্য বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা যে পরামর্শ দেন সে অনুযায়ী পাউডার ও ঔষধ ব্যবহার করতে পারেন।

গরমে বাচ্চাদের ত্বকের যত্নে যে ক্রিম ভালো

বাচ্চা হতে না হতেই বাবা মা ব্যস্ত হয়ে পড়েন যে আমার বাচ্চার জন্য কোন ক্রিম বা লোশন সবচেয়ে বেশি উত্তম হবে। বিশেষ করে গরমে বাচ্চার ত্বকের যত্ন নিতে কিছুটা বাড়তি পরিশ্রম করতে হয়। সেক্ষেত্রে নিজেরাই ঠিক করলে ভুল হতে পারে তাই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের পরামর্শ অনুযায়ী সিলেক্ট করতে হবে কোন ক্রিমটি আমার বাচ্চার জন্য বেস্ট। ক্রিম যদি বাচ্চার ত্বকের সাথে উপযোগী বাবাসিক না হয় এতে বাচ্চার  ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। এখন আমরা কিছু লোশন ও ক্রিমের নাম জানব যেগুলো শিশুর ত্বকের জন্য ভালো। কিন্তু প্রতিটি ক্রিম বা লোশন ব্যবহার করার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের পরামর্শ নিতে হবে। 

Baby Lotion
Baby Lotion

মামায়ার্থের ময়েশচারাইজিং লোশন

বাচ্চাদের ত্বককে পুষ্টিকর ও নরম রাখতে এই লোশনের জুড়ি নেই। এটি ত্বকের জ্বালা দূর করে। এই লোশনে অনেক স্বাস্থ্য উপকরণ রয়েছে যেমন – অ্যালোভেরা, বাদাম তেল, শেয়া বাটার ও জোজবা তেল যা শিশুর ত্ব্বককে গরমে সতেজ রাখে।

শিয়া বাটার লোশন

যেসব বাচ্চাদের ত্বক সূক্ষ্ম তাদের ত্বক সুরক্ষা ও ময়েশ্চারাইজ করার জন্য শিয়া বাটার লোশন উপযোগী। এই লোশনে রয়েছে সূর্যমুখী বীজের তেল, গ্লিসারিন, সয়াবিন তেল যা বাচ্চাদের ত্বকের জন্য উপকারী। এই লোশনে যেসব পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে তা ২৪ ঘন্টা বাচ্চার ত্বক ময়েশ্চারাইজ রাখতে সহায়তা করে। 

সেমাবেড প্রটেকটিভ ফেসিয়াল ক্রিম

শিশুর ত্বক ক্ষতিকর দিক হতে রক্ষা করতে ও ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে এই ক্রিম শিশুদের কোমল ত্বকের জন্য প্রয়োজন। এছাড়াও সেমাবেড প্রটেকটিভ ফেসিয়াল ক্রিম শিশুদের ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করার পাশাপাশি ত্বকের জ্বালাবোধ দূর করে। 

হিমালয় হারবাল বেবি লোশন

নামটি শুনেই মনে হচ্ছে বাচ্চাদের জন্য চমৎকার একটি লোশন। এটি বাচ্চাদের ত্বকে যেমন পুষ্টি যোগায় তেমনি নরম রাখে। বাদাম তেল ও জলপাই সমৃদ্ধ এই লোশনটি ত্বককে রাখে শীতল ও তরতাজা। তবে এই লোশন ব্যবহারের কিছু সাইড ইফেক্ট আছে বলে জানা যায় যেমন – আ্যলার্জি বা ফুসকুড়ি হতে পারে। তাই যেসব বাচ্চার আ্যলার্জি রয়েছে তাদের জন্য  বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী লোশন ইউজ করবেন। 

ইভেনো ময়েশ্চারাইজিং লোশন

এই লোশনে যেসব স্বাস্থ্য উপযোগী উপকরণ রয়েছে সেসবের কল্যাণে শিশুর ত্বক ২৪ ঘন্টা অবধি ত্বককে  আদ্র রাখতে সহায়তা করে। এই লোশনটি বাচ্চাদের সূক্ষ্ম  ত্বকে  ব্যবহার করা যায় এবং চাইলেই নিয়মিত ব্যবহার করতে পারবেন। 

ময়েশ্চারাইজিং লোশন

যেসব বাচ্চারা বেশি হালকা তাদের জন্য এই লোশনটি বেশি উপযোগী। এই লোশনে রয়েছে অ্যালোভেরা ও দুধের প্রোটিন যা শিশুর ত্বক ২৪ ঘন্টা আদ্র রাখে। এছাড়া ত্বক এর ক্ষতি হতে রক্ষা করে এবং ত্বককে নরম ও মসৃণ করে তোলে। গরমে বাচ্চার ত্বকের যত্নে এই লোশনটি খুব উপকারী কেননা এই লোশনটি বাচ্চার ত্বক সতেজ রাখে।

গরমে বাচ্চার ত্বক ময়েশ্চারাইজিং করার প্রয়োজনীয়তা

বাচ্চাদের ত্বক বড়দের তুলনায় অনেক বেশি সংবেদনশীল হয়ে থাকে। তাই একটু রোদে ঘুরলেই খুব সহজে ত্বকে ঘামাচি, লাল লাল দাগ এবং র‍্যাশ দেখা দেয়। শিশুর ত্বক ব্যাকটেরিয়াকে রোদ করতে বেশি সক্ষম নয় তাই গরমে বাচ্চার ত্বকের যত্ন নিতে বাবা-মাকে একটু বেশি সচেতন থাকতে হয়।

মেলবোর্ন রয়্যাল চিল্ড্রেন হসপিটালের রিসার্চ থেকে আমরা জানতে পাই, যেসব শিশুদের  বয়স ৩৭ সপ্তাহের কম তাদের ত্বক অনেক বেশি স্পর্শকাতর হয়ে থাকে এজন্য এই সময়টাতে ত্বকে বিশেষভাবে ময়েশ্চারাইজিং করতে হবে। যেসব কারণে এই গরমে শিশুর ত্বক ময়েশ্চারাইজিং করতে হবে নিচে উল্লেখ করা হলো :

  • গোসলের পর সাধারণত শিশুর ত্বক শুষ্ক হয়ে যায় তাই গোসলের পর শিশু ত্বক ময়েশ্চারাইজিং করা প্রয়োজন। বিশেষ করে শিশুকে যদি বেবি ওয়াশ দিয়ে গোসল করানো হয় কিন্তু ময়েশ্চারাইজ করা না হয় তাহলে ত্বক  ফাটা ফাটা হয়ে যাওয়ার  সম্ভাবনা থাকে। তাই শিশুর ত্বক আর্দ্র রাখতে বেবি ওয়াশ দিয়ে গোসল করানোর পর একটি ভালো বেবি লোশন ইউজ করুন। 
  • বাচ্চাকে বারবার পরিষ্কার রাখতে মুখ মোছাতে হয় এতে করে ত্বক ভিজে যায় বিশেষ করে খাওয়ানোর সময়। বারবার ত্বক ভেজানোর ফলে এর আর্দ্রতা কমে যায় এবং ত্বক শুকনো হয়ে পড়ে। তাই খাওয়ার পর মুখ মোছানোর পর ময়েশ্চারাইজ ইউজ করুন এতে শিশুর ত্বকের  সতেজতা ও কোমলতা বজায় থাকবে। 
  • গরমে ডায়পার পরানোর কারণে শিশুর ন্যাপি এরিয়ায় অনেক র‍্যাশ দেখা যায়। তাই যারা ডায়পার পরান তারা অবশ্যই বাচ্চার ডায়পার পরিবর্তন করার সময় ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করবেন। ন্যাপি এরিয়াতে নিয়মিত বেবি র‍্যাশ ক্রিম ব্যবহার করবেন এতে র‍্যাশ ও চুলকানি কমে যাবে। এতে শিশুর ত্বকের সংবিধানশীলতা বজায় থাকবে। বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া বা ফাঙ্গাসের আক্রমণ থেকে ত্বক সুরক্ষিত থাকবে। যদি র‍্যাশ ক্রিম না পেয়ে থাকেন তাদের বেবি পাউডার ও ব্যবহার করতে পারেন। 

বাচ্চার জন্মের পর থেকে তার ত্বকের জন্য আলাদা পরিচর্যার প্রয়োজন।নিয়মিত গরমে বাচ্চার ত্বকের যত্ন নিতে ময়েশ্চারাইজিং করলে বাচ্চার ত্বকের কোমলতা স্বাভাবিক থাকবে এবং বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া থেকে রক্ষাও পাবে।

গরমে বাচ্চাদের ত্বকের জন্য কোনটি বেশি ভালো?

লোশন, তেল অথবা ক্রিম

এই তিনটির মধ্যে মৌলিক পার্থক্য হচ্ছে পানির পরিমাণ দিয়ে। তেলে পানি নেই বললেই চলে কিন্তু ক্রিমে কিছুটা পানীয় অংশ রয়েছে আর লোশনে বেশিরভাগ পানি। যদি আপনার শিশুর ত্বক শুষ্ক হয় তবে আপনার শিশুর জন্য তেলই সঠিক। তবে অল্পসময়ের জন্য শুষ্কতা থেকে রক্ষা করতে শুষ্কতা থেকে রক্ষা করতে ক্রিম এবং লোশন বেশি ভালো। যেহেতু ক্রিম বা তেলে পিচ্ছিল থাকে তাই যখন শিশুকে নিয়ে বাহিরে বের হবেন তখন লোশন লাগানোটাই উত্তম হবে। আবার যাদের ত্বক সংবেদনশীল তাদের জন্য লোশন ব্যবহার উপযোগী।

অনেকেই মনে করেন, তেল মালিশ এর মাধ্যমে হাড় শক্ত হয় কিন্তু বৈজ্ঞানিকভাবে এর কোন ভিত্তি নেই। তবে শুষ্কতা প্রতিরোধ করতে শিশুর ত্বকে তেল লাগানো যায় সেক্ষেত্রে উদ্ভিজ্জ তেল লাগানো উচিত। বিশেষ করে অলিভ অয়েল তেলটি শিশুদের ত্বকের জন্য ভালো। শুধু শীতকালে বাচ্চার শরীরে তেল না লাগিয়ে গরমকালেও গোসল করানোর আগে তেল লাগানো যায়  এবং গোসল করার পরে ত্বক ময়েশ্চারাইজ করার জন্য লোশন লাগাতে হবে। কিন্তু বাইরে যাওয়ার সময় তেল লাগানো উচিত নয় এতে ত্বকে ধুলাবালি জমে যাবে ময়না মুখি রে তাই লোশন লাগানোটাই উত্তম হবে।

উপসংহার

গরমকাল মানেই ত্বকের বেশি যত্ন করতে হয়। শুধু যে বড়দের ত্বকের যত্ন প্রয়োজন তা নয় বরং গরমে  বাচ্চার ত্বকের যত্ন নিতে বাড়তি কেয়ার দরকার। এই কেয়ারটুকু যেভাবে নিতে পারেন সে বিষয়ে উপরে বিস্তারিত বর্ণনা করলাম। তবে অবশ্যই লোশান বা ক্রিম ব্যবহারের জন্য আপনার বাচ্চার ত্বক উপযোগী কোনটি সেটা জানতে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেবেন। গরমে জীবাণুর আনাগোনা যেন বেড়ে যায় তাই শিশুকে ক্ষতিকর জীবাণু থেকে রক্ষা করার জন্য সব সময় পরিষ্কার রাখতে হবে, ভালোভাবে গোসল করাতে হবে এবং ত্বকের আদ্রতা বজায় রাখতে হবে।  সেই সঙ্গে খেয়াল রাখবেন অতিরিক্ত গরমে বা রোদ্রে শিশুরা যেন ঘোরাঘুরি না করে।

বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

১.এক মাসের বাচ্চাকে কি লোশন দেয়া যায়? 

উত্তর: বাচ্চার ত্বক যদি শুষ্ক না হয় তবে লোশন দেওয়ার প্রয়োজন নেই। 

২.গরমে বাচ্চাদের ত্বকে কি ব্যবহার করব? 

উত্তর: ত্বক আর্দ্র রাখতে বেবি লোশন ব্যবহার করতে পারেন। 

৩.বেবিমেডকি বাচ্চাদের জন্য ভালো? 

উত্তর: যেসব বাচ্চাদের ত্বক শুষ্ক, সংবেদনশীল এবং এটোপিক ডার্মাটাইটিস তাদের জন্য বেবিমেড সুপারিশ করা হয়। 

৪. বাচ্চাকে গরমে কতবার গোসল দেওয়া উচিত? 

উত্তর: নিয়মিত গোসল করানোর সাথে অতিরিক্ত গরমে দিনে দুইবার শরীর মুছে দেওয়া ভালো। 

৫. গোসলের পর বাচ্চার গায়ে কিছু দেওয়ার প্রয়োজন আছে কিনা? 

উত্তর: ময়েশ্চারাইজ করা ভালো।

আরো পড়ুন –

Related Post

খুশির স্ট্যাটাস

200+ স্টাইলিশ খুশির স্ট্যাটাস | হাসি নিয়ে ক্যাপশন

খুশির স্ট্যাটাস | হাসি নিয়ে ক্যাপশন জীবনের সুন্দর খুশির মুহূর্ত আমরা সবাই বাঁধাই করে রাখতে চাই। আর এই খুশির মুহূর্তকে ধরে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায়

Read More »

স্টাইলিশ ভালোবাসার ছন্দ | রোমান্টিক ছন্দ | Love Status Bangla

❤❤ভালোবাসার ছন্দ | ভালোবাসার ছন্দ রোমান্টিক | ভালোবাসার ছন্দ স্ট্যাটাস❤❤ ভালোবাসা হলো এক অন্যরকম অনুভূতির নাম, যা শুধুমাত্র কাউকে ভালবাসলেই অনুভব করা যায়। আমরা বিভিন্নভাবে

Read More »
মন খারাপের স্ট্যাটাস

মন খারাপের স্ট্যাটাস, উক্তি, ছন্দ, ক্যাপশন, কিছু কথা ও লেখা

মন খারাপের স্ট্যাটাস মন খারাপ – এই কষ্টের অনুভূতি কার না হয়? সবারই কখনো না কখনো সবারই মন খারাপ হয়। জীবনের ছোটোখাটো অঘটন থেকে শুরু

Read More »
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের উক্তি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের উক্তি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের উক্তি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বলা হয় বিশ্বকবি। তিনি ছিলেন একজন বিচক্ষণ ও গুনী লেখক। প্রেম চিরন্তন এবং সত্য। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাঙালীর মনে প্রেমের

Read More »
ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা

ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা | Breakup Status Bangla

ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা আপনি কি আপনার প্রিয়জনের সাথে সম্পর্ক থেকে বের হয়ে এসেছেন? আর সেটা আপনি কোন ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা মাধ্যমে বোঝাতে চাচ্ছেন। তাহলে আপনি

Read More »

Leave a Comment

Table of Contents