Dreamy Media BD

অলিভ অয়েল তেলের উপকারিতা কি 

অলিভ অয়েল তেলের উপকারিতা কি 

অলিভ অয়েল তেলের উপকারিতা কি 

অলিভ অয়েল বা জলপাইয়ের তেল ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। ত্বকের নিয়মিত যত্নে তেলটি বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। নানান ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ এই তেল আমাদের মুখে বয়সের ছাপ দূর করতে কাজ করে থাকে। স্বাস্থ্যকর তেল হিসেবে অলিভ অয়েলের খ্যাতি বিশ্বজুড়ে। 

সারা পৃথিবীতে কোটি কোটি মানুষ রান্না বেকিং কিংবা শরীর ও সুন্দর চর্চায় অলিভ অয়েল ব্যবহার করে থাকে। আমাদের ত্বকে পানির পরিমাণ কমে গেলে ত্বক রুক্ষ হতে শুরু কর।  নিয়মিত অলিভ অয়েল ব্যবহার এই ঘাটতির  আশঙ্কা দূর করে।

 প্রচুর ভিটামিন এ এবং ভিটামিন ই এর পাশাপাশি এই ভিটামিন  ডি ও থাকে। যা যা আমাদের ত্বকের সবচেয়ে সমবেদনশীল অংশকেও সর্বোচ্চ সুরক্ষা দেয়। তাই এটিকে সরাসরি মশ্চারাইজার হিসেবে বাতিমের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করলে বেশ উপকার পাওয়া যায়। 

অলিভ অয়েল কি

অলিভ অয়েল বা জলপাই তেল জলপাই থেকে আসে। জলপাই ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের একটি ঐতিহ্যবাহী ফসল। রান্না, প্রসাধনী, ঔষধ সাবান এবং ঐতিহ্যবাহী বাতির জ্বালানি হিসেবে অলিভ অয়েলের ব্যবহার করা হয়ে থাকে। অলিভ অয়েল মূলত ভূমধ্যসাগর এলাকা থেকে এসেছে। কিন্তু আজ এটি বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়।

 বর্তমানে প্রায় সকলেই স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে উঠেছেন। সর্বনিম্ন মাত্রার স্যাচুরেটেড ফ্যাট সমৃদ্ধ অলিভ অয়েল ওজন কমাতে, রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা ও হৃদরোগের সম্ভাবনা কমাতে, বয়সের প্রক্রিয়াকে স্থল করতে সাহায্য করে। পৃথিবীর মধ্যে গ্রিসে সব থেকে বেশি ব্যবহার করা হয় অলিভ অয়েল বলে জানা যায়।প্রাকৃতিক এই তেলে রয়েছে ওমেগা 6 এবং ওমেগা  3  নামক ফ্যাটি অ্যাসিড । অলিভ অয়েললে এলিক এসিড নামক মনস্যাচুরেটেড ফ্যাট আছে। 

গবেষণা হতে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী অ্যালিক এসিড প্রদাহনাশক হিসেবে কাজ করে। এছাড়াও ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধিও আটকাতে পারে এই এলিক এসিড।অলিভ অয়েলের বৈজ্ঞানিক নাম-Olea europea L.(ওয়েলা ইউরোপিয়া)। অন্যান্য নাম- 

  • যাইতুন কা তেল (হিন্দি) 
  • জায়েদ আয়াতুন (আরব) 
  •  অলিভ অলি (আফ্রিকান) 

অলিভ অয়েল তেলের উপকারিতা 

অলিভ অয়েল তেলের রয়েছে বহুমুখী ব্যবহার ও উপকারিতা। নিচে এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো-

হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় 

অলিভ অয়েল এর প্রচুর এন্টিঅক্সিডেন্ট থাক।  যা দূরারোগ্য ব্যাধি থেকে মুক্তি দেয়। প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিডের পাশাপাশি রয়েছে ভিটামিন ই এবং কে। বিভিন্ন ধরনের প্রদাহ কমায়। রক্তের কোলেস্টেরলকে নিয়ন্ত্রণ করে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। 

শরীরের ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে 

এন্টি ব্যাকটেরিয়াল গুনাগুন সম্পন্ন অলিভ অয়েল শরীরের ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া গুলোকে ধ্বংস করতে সক্ষম। হেলিকোব্যাক্টর পাইলোরি নামক জীবাণু পেটে বাসা বেঁধে আলসার এবং পাকস্থলীর ক্যান্সার সৃষ্টি করে। এক্সট্রা ভার্জিন জলপাই তেল এসব ব্যাকটেরিয়া সরাতে সাহায্য করে। 

স্ট্রোক প্রতিরোধে সহায়তা করে 

রক্ত জমাট বাধার কারণে বা রক্তক্ষরণের কারণে মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহে ব্যাঘাত ঘটে যার ফলে স্ট্রোক হয়। অলিভ অয়েলে বিদ্যমান মেনস্যাচুরেটেড ফ্যাট স্ট্রোক ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। গবেষণায় দেখা গেছে যারা অলিভ অয়েল নিয়মিত ব্যবহার করে বা গ্রহণ করে তাদের স্ট্রোকের ঝুঁকি অন্যান্যদের তুলনায় অনেক কম। 

এন্টি ইনফ্লামেটরি বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী রোগ ছড়ায় 

অলিভ অয়েলে থাকা উপাদানসমূহ প্রদাহনাশক হিসেবে কাজ করে। এসব উপাদান সমূহ দীর্ঘস্থায়ী রোগ যেমন – হৃদরোগ, ক্যান্সার,  টাইপ 2 ডায়াবেটিস আলঝেইমার সারাতে সাহায্য করে। বিজ্ঞানীদের মতে এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে প্রদাহ নাশক হিসেবে অনেকটা ওলিওকান্থাল আইবুপ্রোফেন ওষুধের মত কাজ করে। 

শরীরের  খারাপ কোলেস্টেরল কমায় 

শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল এলডিএল লো-ডেনসিটি   লিপোপ্রোটিন জারণ থেকে রক্ষা করে অলিভ অয়েল। রক্তচাপ কমিয়ে হৃদরোগ থেকে বাঁচায়। অলিভ অয়েলে থাকা পুষ্টি উপাদান গুলো অলিভ অয়েল খাদ্য হিসেবে গ্রহণের ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আসে এবং রক্তচাপের ওষুধের প্রয়োজনীয়তা অনেকাংশে কমে আসে। 

পেটের সমস্যা দূরে রাখে 

বর্তমানে অবৈজ্ঞানিক খাদ্যাভ্যাস এর ফলে গ্যাস-অম্বলের বদহজমের মত সমস্যা আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। অলিভ অয়েল Monosaturated fat থাকে যা পেটের সমস্যা দূরীকরণে সাহায্য করে। সেজন্য চিকিৎসকরা প্রতিদিন এক চামচ অলিভ অয়েল এর সাথে সমপরিমাণ লেবুর রস মিশিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকে।  এতে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা ও দূর হয়ে থাকে। 

নাক ডাকা বন্ধ করতে সহায়ক 

এটির ঔষধি গুণাবলী নাক ডাকা বন্ধ করতে খুবই উপকারী। এই তেল আপনার কন্ঠনালীকে পিচ্ছিল করে দিয়ে নাক ঢাকা প্রতিরোধ করে। তাই নাক ডাকা বন্ধ করতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক চুমুক অলিভ অয়েল খেয়ে নিই এতে উপকার পাবেন। 

কানের সমস্যা দূর করে 

কানে চুলকানি বা দুর্গন্ধ হওয়ার সাধারণ সমস্যা অনেকেরই হয়ে থাক।  এসব সমস্যা দূর করতে একটি কটন বাড়ে সামান্য অলিভ অয়েল ভিজিয়ে সাবধানে কানের মধ্যে ব্যবহার করতে পারেন। 

নখের যত্নে 

এটি নখের ভঙ্গুরতা দূর করার পাশাপাশি নখের চামড়ার বাইরের স্তর সুস্থ, সুন্দর এবং কোমল রাখতে ও সহায়তা করে। এজন্য কয়েক ফোটা অলিভ অয়েল আঙ্গুলে নিয়ে নখের উপরের দিক এবং চারপাশ ভালোভাবে মালিশ করতে হবে। এতে আস্তে আস্তে নখের  ভঙ্গুরতা কমে নখ হয়ে উঠবে আরো শক্ত ও উজ্জ্বল। 

ব্যথা দূর করে 

শরীরের অযাচিত ব্যাথা দূর করতে এটি অত্যন্ত উপকারী। এজন্য ২০০ মিলি পানির সঙ্গে ২০ চামচ অলিভ অয়েল ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এবার ব্যথার স্থানে বিরতি দিয়ে ১৫ মিনিট ধরে মালিশ করুন। 

শরীরের প্রদাহ কমায় 

এটি স্বাস্থ্য উপকারিতা কে মাথায় রেখে আমাদের সকলেরই উচিত আমাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এটি ব্যবহার করা। বহু বছর ধরে এটি ভূমধ্যসাগরীয় সাংস্কৃতির একটি প্রধান অংশ যা প্রাচীন গ্রীক এবং রোমানদের সাথে সম্পর্কযুক্ত। প্রকৃতপক্ষে পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের মধ্যে ভূমধ্যসাগরীয় অববাহিকায় কিছু জনগোষ্ঠীর দীর্ঘস্থায়ী জীবন যাপনের কারণ তাদের খাদ্যাভ্যাসে অলিভ অয়েল এর মত তেলের ব্যবহার। 

ওজন নিয়ন্ত্রণে আনে 

দ্রুত ওজন কমাতে এটির  জুড়ি মেলা প্রায় অসম্ভব। এতে থাকা ভিটামিন ই, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফ্ল্যাভেন -৩ ওলস, অ্যানথোসায়ানিন ওজন কমাতে সক্ষ।  এছাড়াও এই তেল হজমে সাহায্য করার পাশাপাশি রক্তের শর্করাকে নিয়ন্ত্রণ রাখে। 

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে

এটিতে প্রচুর পরিমাণে আনস্যাচুরেটেড ও পলিফেনাল মজুদ থাকে যা রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণ আনতে পারে। তাই বাসায় খাবার তৈরি সময় এই তেলের ব্যবহার করতে পারেন। বেশি উপকার পেতে কাঁচা অলিভ অয়েলও খেয়ে নিতে পারেন। 

চোখ ও হারের জন্য উপকারী 

একজন মানুষের প্রতিদিন যে পরিমাণ ভিটামিন প্রয়োজন তার প্রায় পুরোটাই অলিভ অয়েলে পাওয়া যায়। এজন্য এটি রাতকানা, গ্লুকোমা ও চোখের অন্যান্য সমস্যা দূরে রাখতে সক্ষম। এই তেলে অস্টিওক্যালসিন নামের একটি হরমোন পাওয়া যায় যা, হাড়ের শক্তি বৃদ্ধিতে অন্তত প্রয়োজনীয়।

চুলের যত্নে অলিভ অয়েল 

যখন আমাদের চুলের প্রশ্ন আসে তখন আমরা অনেকেই আমাদের দৈনন্দিন ব্যস্ততার কারণে একে অগ্রাহ করি। তবে অলিভ অয়েললে থাকা শক্তিশালী উপাদান আমাদের চুলকে আরো দৃঢ় ও উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। এটির ম্যাসাজ চুলের গোড়া মজবুত করার পাশাপাশি চুলের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে। এতে ভিটামিন ই থাকে যা চুল পড়ে যাওয়ার প্রবণতা কমায়। এর সাথে সামান্য কয়েক ফোঁটা লেবুর রস ব্যবহার করলে তা খুশকি সমস্যা দূরে রাখবে। শ্যাম্পু করার পূর্বে সামান্য অলিভ অয়েল হালকা গরম করে মাথা মেসেজ করে নিন।এটি আপনার চুলের মশ্চারাইজার এর মত কাজ করবে। 

ত্বকের যত্নে অলিভ অয়েল 

পরিমিত পরিমাণ এবং বিশুদ্ধ অলিভ অয়েল ত্বকের জন্য দুর্দান্ত কার্যক।  এতে উপস্থিত ফ্ল্যাভোনয়েডস এবং পলিফেনলসের কারণে কোষের পুনর্জন্মের পরিমাণ বাড়ে। এতে ত্বকের প্রাকৃতিক স্থিতিস্থাপক বজায় রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। তবে সব ধরনের ত্বকের ক্ষেত্রে এটি সমান উপকারী নাও হতে পারে তাই একজন বিশেষজ্ঞ চর্ম চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে। নিচে এর ব্যবহার সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দেওয়া হলো –

  • প্রথমে হাতে কয়েক ফোঁটা নিয়ে সেগুলো একসাথে ঘষে নিন ।
  • এবার সামান্য ভেজা তোকে এটির আপনার মুখে আলতো করে ম্যাসাজ করুন। 
  • যেহেতু এই তেলটি সামান্য ভারী তাই এটি আপনার লোমকূপ আটকে দিতে পারে এবং তেলের দাগ রেখে দিবে। 
  • তাই জমে থাকা তেল পরিষ্কার করতে এবং ত্বকে থাকা তেলের দাগ দূর করতে আপনার অবশ্যই অলিভ অয়েল ব্যবহার করার পর ফেসওয়াশ ব্যবহার করতে হবে। 
  • যাদের ত্বক একটু তৈলাক্ত  তাদের এই পদ্ধতি ব্যবহার না করাই উত্তম। 
উপসংহার 

অলিভ অয়েল স্বাস্থ্যকর তেল এর মধ্যে জনপ্রিয় ও উপকার।  বেশ কিছু গবেষণা ও বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী এটিতে অবিশ্বাস্য পরিমাণ স্বাস্থ্য সুবিধার রয়েছে। অলিভ অয়েলের উপকারিতা সমূহের মধ্যে রোগ ও অসুস্থতা প্রতিরোধ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, ত্বকের উন্নতি, এমনকি শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি অন্যতম। অলিভ অয়েলের মধ্যে ভরপুর পরিমানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের অক্সিডেটিভ চাপ কমিয়ে দীর্ঘস্থায়ী রোগকে দূরে রাখে। অলিভ অয়েল এর মধ্যে ভিটামিন ই ও পলিফেনাল রয়েছ। 

 

 যা দেহের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং শারীরিক প্রদাহ কমায়। অন্যান্য ভোজ্য তেলের তুলনায় অলিভ অয়েলের টেক্সচার একটু হালকা হয়। মাত্রাতিরিক্ত অলিভ অয়েল ব্যবহারে রক্তচাপ অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়তে পার।  তাছাড়া গলব্লাডার ব্লকেজ সহ অন্যান্য সমস্যা হতে পারে। শরীরে কোন ক্ষতস্থানে অলিভ অয়েল লাগাবেন না। 

 

২০ থেকে ৩০ সেকেন্ডের বেশি অলিভ অয়েল গরম করবেন না না হলে এ সমস্ত গুনাগুন নষ্ট হয়ে যাবে। অলিভ অয়েলের যেমন প্রচুর গুণ রয়েছে তেমনি এর সঠিক ব্যবহার না করলে এর উল্টোটাও হতে পার।  তাই সবদিক দেখে শুনে বিচার করে তবে অলিভ অয়েল ব্যবহার করুন। 

Also read: কফির উপকারিতা এবং অপকারিতা  

 

Related Post

খুশির স্ট্যাটাস

200+ স্টাইলিশ খুশির স্ট্যাটাস | হাসি নিয়ে ক্যাপশন

খুশির স্ট্যাটাস | হাসি নিয়ে ক্যাপশন জীবনের সুন্দর খুশির মুহূর্ত আমরা সবাই বাঁধাই করে রাখতে চাই। আর এই খুশির মুহূর্তকে ধরে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায়

Read More »
❤love status bangla | ভালোবাসার ছন্দ | রোমান্টিক ছন্দ | প্রেম ছন্দ স্ট্যাটাস❤

স্টাইলিশ ভালোবাসার ছন্দ | রোমান্টিক ছন্দ | Love Status Bangla

❤❤ভালোবাসার ছন্দ | ভালোবাসার ছন্দ রোমান্টিক | ভালোবাসার ছন্দ স্ট্যাটাস❤❤ ভালোবাসা হলো এক অন্যরকম অনুভূতির নাম, যা শুধুমাত্র কাউকে ভালবাসলেই অনুভব করা যায়। আমরা বিভিন্নভাবে

Read More »
মন খারাপের স্ট্যাটাস

মন খারাপের স্ট্যাটাস, উক্তি, ছন্দ, ক্যাপশন, কিছু কথা ও লেখা

মন খারাপের স্ট্যাটাস মন খারাপ – এই কষ্টের অনুভূতি কার না হয়? সবারই কখনো না কখনো সবারই মন খারাপ হয়। জীবনের ছোটোখাটো অঘটন থেকে শুরু

Read More »
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের উক্তি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের উক্তি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের উক্তি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বলা হয় বিশ্বকবি। তিনি ছিলেন একজন বিচক্ষণ ও গুনী লেখক। প্রেম চিরন্তন এবং সত্য। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাঙালীর মনে প্রেমের

Read More »
ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা

ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা | Breakup Status Bangla

ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা আপনি কি আপনার প্রিয়জনের সাথে সম্পর্ক থেকে বের হয়ে এসেছেন? আর সেটা আপনি কোন ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা মাধ্যমে বোঝাতে চাচ্ছেন। তাহলে আপনি

Read More »

Leave a Comment

Table of Contents