Dreamy Media BD

পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদন

পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদন

কিভাবে পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদন করবেন 

পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদন করার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া নিয়ে আজকের আমাদের এই লেখাটি সাজানো হয়েছে।  লেখাটি পড়া শেষে আপনি সহজে নিজে নিজেই ‘পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদন’ সফলভাবে করতে পারবেন।  

 

পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদন প্রক্রিয়া 

পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদন অনলাইনে খুব সহজে করা যায়। পাঠকের সুবিধার্থে প্রক্রিয়াটি আমারা সচিত্র ধাপে ধাপে বর্ণনা করবঃ 

পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদন | প্রয়োজনীয় কাগজপত্র 

পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদন করার জন্য নিম্নলিখিত কাগজপত্র গুলো প্রয়োজন:

  • আবেদনপত্র
  • আবেদনকারীর পরিচয় পত্রের একটি কপি (জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ইত্যাদি)
  • আবেদনকারীর ঠিকানা প্রমাণের একটি কপি (ভোটার আইডি কার্ড, রেশন কার্ড, জমির দলিল ইত্যাদি)
  • আবেদনকারীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বরের একটি কপি

পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদন | যোগ্যতা ও শর্তাবলী 

 পল্লী বিদ্যুৎ মিটার পেতে নিম্নলিখিত যোগ্যতা লাগে:

  • আবেদনকারী বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
  • আবেদনকারীর বয়স ১৮ বছর বা তার বেশি হতে হবে।
  • আবেদনকারীর একটি বৈধ ঠিকানা থাকতে হবে।

 পল্লী বিদ্যুৎ মিটার পেতে যে সকল শর্তাবলী মানতে হবে:

  • পল্লী বিদ্যুৎ মিটার সংযোগের জন্য আপনার সংযোগ স্থল হতে Service Drop বা নিকটস্থ বিদ্যুতের খুঁটির দুরত্ব সর্বোচ্চ ১৩০ ফুট হতে হবে।
  • বাড়ির মোট লোড ৮০ কিলোওয়াট এর বেশি হলে HT সংযোগের জন্য আবেদন করতে হবে। 
  • বাসার হাউজ ওয়্যারিং নিশ্চিতের জন্য গ্রাউন্ডিং রডের Scan Copy সরবরাহ করতে হবে। 
  • প্রয়োজনে উত্তরাধিকার সনদ দিতে হবে। 

অনলাইনে পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদন

আপনি যদি উপরের শর্তাবলী পূরণ করেন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হাতে থাকে , তাহলে অনলাইনে পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের জন্য আবেদন করতে পারবেন।  আবেদনের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া: 

প্রথম ধাপ: অনলাইন আবেদন ফরম পূরণ

আবেদনের আগে উপরের দেওয়া কাগজগুলি সংগ্রহ করে , স্ক্যান করে আপনার কম্পিউটারে কোন ফোল্ডারে সংরক্ষণ করে রাখবেন। 

প্রথমে, এই লিংক (http://www.rebpbs.com/ ) থেকে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ওয়েবসাইট এর হোমপেজে প্রবেশ করতে হবে।  

এরপর,  উপরের মেনুবার থেকে নিচের চিত্রের মত ‘আবেদন’ মেনু থেকে ‘আবেদন করুন’ সাব মেনুতে ক্লিক করতে হবে। 

পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদন
পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদন

তাহলে পল্লীবিদ্যুৎ মিটারের আবেদন ফরমটি পাওয়া যাবে। সতর্কতার সাথে এই অনলাইন ফরমটি পূরণ করতে হবে। এখানে মনে রাখবেন, শুধুমাত্র (*) চিহ্নিত ঘরগুলো পূরণ বাধ্যতামূলক বাকি গুলি না দিলেও হবে। যেমনঃ আয়কর টিন নম্বর সকল আবেদনকারীর নাও থাকতে পারে, তাই এটা সবাইকে পুরন করতে হবে না।  

বিদ্যুৎ অফিস ও আবেদনকারীর বিবরণ প্রদান 

পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদন
পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদন
    • জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও জোনাল অফিস: আপনার এলাকা অনুযায়ী নির্বাচন করুন।
  • সংযোগের ট্যারিফ: 
  • একক বাসা-বাড়ির জন্য: এলটি-এ (আবাসিক)
      • বহুতল ফ্ল্যাট বাড়ির জন্য: এমটি-এ (আবাসিক)
  • আবেদনকারীর বিবরণ:
    • নাম (বাংলা ও ইংরেজি)
    • পিতার নাম (বাংলা ও ইংরেজি)
    • জন্ম তারিখ (ইংরেজি)
    • জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর (ইংরেজি)
    • মোবাইল নম্বর (ইংরেজি)
    • ইমেইল (ইংরেজি)

 ইত্যাদি তথ্য দিন । 

  • TIN নম্বর (ইংরেজি) *বাধ্যতামূলক নয় 
  • পাসপোর্ট নম্বর (ইংরেজি) *বাধ্যতামূলক নয় 
  • ফোন নম্বর (ইংরেজি)

 স্থায়ী ঠিকানা ও প্রস্তাবিত সংযোগ স্থলের বিবরণ

পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদন
পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদন

আবেদন ফরমের এই অংশে স্থায়ী ঠিকানা ও প্রস্তাবিত সংযোগ স্থলের বিবরণ দিতে হবে। 

আপনার স্থায়ী ঠিকানাঃ 

  • গ্রাম/মহল্লা/রোড, উপজেলা , জেলা, পোস্ট কোড: আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী লিখুন।

প্রস্তাবিত সংযোগ স্থলের বিবরণ (যেখানে নতুন মিটার সংযোগ নিবেন)

  • গ্রাম/মহল্লা/রোড, উপজেলা, জেলা, পোস্ট কোড: আপনি যেখানে সংযোগ নিতে চান সেটা ভালোভাবে প্রদান করন।
  • মালিকানার প্রমাণ: আপনি যেখানে সংযোগ নিতে চান সেই স্থানের মালিকানা প্রমাণপত্রের জন্য জমির যাবতীয় তথ্য দিন।

জিওগ্রাফিক, কানেকশন ও লোড তথ্য প্রদান 

পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদন
পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদন

জিওগ্রাফিক তথ্য

  • নিকটবর্তী সার্ভিস পোল থেকে সংযোগ স্থলের দূরত্ব: আপনি যেখানে সংযোগ নিতে চান সেই স্থান থেকে নিকটতম সার্ভিস পোল পর্যন্ত দূরত্ব মেপে নিন। এই দূরত্ব ফুট (ft) এককে লিখুন, সর্বাধিক ১৩০ ফুট হতে হবে।

কানেকশন তথ্য

  • ট্রান্সফরমারের আওতায় পার্শ্ববর্তী গ্রাহকের বই নং, হিসাব নং, মিটার নম্বর এবং পোল নম্বর: একই ট্রান্সফরমারের আওতায় থাকা পার্শ্ববর্তী গ্রাহকের বই নং, হিসাব নং, মিটার নম্বর এবং পোল নম্বর সংগ্রহ করুন। এই তথ্যগুলি আবেদনপত্রের সাথে সংযুক্ত করুন।
  • আবেদন প্রকৃতি: আপনি স্থায়ী নাকি অস্থায়ী সংযোগ নিতে চান তা নির্বাচন করুন।

লোড তথ্য

  • ব্যবহৃত হবে এমন লাইট, ফ্যান সহ অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসের সংখ্যা।
  • চাহিদাকৃত লোড: বাড়ির মোট লোড ৮০ কিলোওয়াট এর বেশি হলে HT সংযোগের জন্য আবেদন করতে হবে

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড 

পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদন
পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদন
  • ছবি: আপনার একটি পাসপোর্ট সাইজের ছবি আপলোড করুন। ছবির সাইজ অবশ্যই ১৫০ কেবি ও ৩০০*৩০০ পিক্সেল এর মধ্যে হতে হবে।
  • জাতীয় পরিচয় পত্র: আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি আপলোড করুন।ছবির সাইজ অবশ্যই ৩০০ কেবি ও ৬০০*৪৭৫ পিক্সেল এর মধ্যে হতে হবে।
  • খারিজ: আপনি যেখানে সংযোগ নিতে চান সেই স্থানের মালিকানা প্রমান পত্রের কপি আপলোড করুন। ছবির সাইজ অবশ্যই ৭০০ কেবি মধ্যে হতে হবে এবং একাধিক থাকলে পিডিএফ আকারে দিতে হবে।
  • সম্মতি প্রদান: পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কিছু শর্ত রয়েছে সেগুলোর সাথে একমত আছেন এই মর্মে পাশে রাখা খালি বক্সে টিক চিহ্ন দিন।
  • ক্যাপচা কোড পূরণ: একটি ক্যাপচা কোড পূরণ করুন এবং সংরক্ষণ করুন বাটনে ক্লিক করুন।

পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন

এইভাবে আপনার আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। আবেদনপত্রটি সফলভাবে জমা দেওয়া হলে আপনাকে একটি SMS এর মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।

ট্যাকিং নম্বর এবং পিন নম্বর দিয়ে আবেদন প্রিন্ট 

আবেদন করার সময় আপনাকে একটি “ট্রাকিং নম্বর” এবং “পিন নম্বর” দেওয়া হবে, এই নম্বরগুলির মাধ্যমে আপনি আপনার আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা দেখতে পারেন ও আবেদন পত্র প্রিন্ট করতে পারবেন।

দ্বিতীয় ধাপঃ হাউজ ওয়্যারিং নিশ্চিত করন

পল্লী বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য আবেদন পত্র পূরণের পর, আপনাকে অবশ্যই আপনার বাড়ির হাউজ ওয়্যারিং সম্পন্ন হয়েছে তা নিশ্চিত করতে হবে। এই ধাপটি সম্পন্ন করতে, আপনাকে নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করতে হবে:

  • পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ওয়েবসাইটে যান এবং “হাউজ ওয়্যারিং নিশ্চিত করুন” লিঙ্কে ক্লিক করুন।
  • আপনার ট্রাকিং নম্বর এবং পিন নম্বর প্রবেশ করুন।
  • “হাউজ ওয়্যারিং নিশ্চিত হয়েছে” নির্বাচন করুন।
  • গ্রাউন্ড রড ক্রয়ের মেমো/রশিদ নম্বর ইংরেজিতে লিখুন।
  • গ্রাউন্ড রড ক্রয়ের মেমো/রশিদ আপলোড করুন।
  • আপনার বাড়ির ঠিকানা লিখুন।
  • ক্যাপচা কোড পূরণ করুন।
  • “সমর্পন করুন” বাটনে ক্লিক করুন।

আপনার হাউজ ওয়্যারিং সঠিকভাবে নিশ্চিত হলে, আপনি একটি সফলতা মেসেজ দেখতে পাবেন।পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ওয়েবসাইটে “হাউজ ওয়্যারিং নিশ্চিত করুন” লিঙ্কের নিচে একটি FAQ বিভাগ রয়েছে। এই বিভাগে হাউজ ওয়্যারিং নিশ্চিতকরণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য রয়েছে, প্রয়োজনে এখান থেকে সাহায্য নিন।

তৃতীয় ধাপঃ পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদনের সংযোগ ফি প্রদান 

পল্লী বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য আবেদন পত্র সফলভাবে জমা দেওয়ার পর, আপনাকে অবশ্যই আবেদনের সংযোগ ফি ১১৫ টাকা পরিশোধ করতে হবে। দুইভাবে আপনি এই ফি পরিশোধ করতে পারবেন:

১। সরাসরি পল্লী বিদ্যুৎ অফিস বা নির্ধারিত ব্যাংকে পরিশোধ

২। রকেট মোবাইল ব্যাংকিং 

১. সরাসরি সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ অফিস বা নির্ধারিত ব্যাংকে পরিশোধ

আবেদনের সংযোগ ফি পরিশোধের জন্য সরাসরি সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ অফিসে যাওয়াই ভালো। কারণ, এই পদ্ধতিতে আপনি আপনার আবেদনের অবস্থা সম্পর্কে সরাসরি জানতে পারবেন। এছাড়াও, আপনি যদি কোনও সমস্যার সম্মুখীন হন তবে, আপনি সহজেই অফিসের কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন।

পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদন
পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদন

২. রকেটের মাধ্যমে পরিশোধ

  • আপনার মোবাইল ফোন থেকে রকেট অ্যাপটি খুলুন।
  • “পেমেন্ট” ট্যাবে যান।
  • “বিল পেমেন্ট” নির্বাচন করুন।
  • “পল্লী বিদ্যুৎ” নির্বাচন করুন।
  • আপনার জেলা, উপজেলা, জোনাল অফিস এবং গ্রাহকের নাম নির্বাচন করুন।
  • আবেদনের ট্রাকিং নম্বর এবং পিন নম্বর প্রবেশ করুন।
  • ফি পরিশোধ করুন।
  • ফি পরিশোধের Trx ID সংগ্রহ করুন।

পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা যাচাই 

পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদন দেখার জন্য নিম্নলিখিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করুন:

  • পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ওয়েবসাইটে যান।
  • “আবেদন” মেনুতে যান।
  • “আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা জানুন” অপশনে ক্লিক করুন।
  • আপনার ট্রাকিং নম্বর এবং পিন নম্বর প্রবেশ করুন।
  • “সাবমিট করুন” বাটনে ক্লিক করুন।

এখানে আপনার মিটারের আবেদনের বর্তমান অবস্থা প্রদর্শিত হবে।

পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদন
পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদন

পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদন | ধারাবাহিক প্রশ্নবলি – FAQs 

অনলাইনে এই সম্পর্কিত বহুল জিজ্ঞেসিত  প্রশ্ন সমূহের উত্তর আমাদের পাঠকদের সুবিধার্থে দেওয়া হলো: 

প্রশ্নঃ পল্লী বিদ্যুৎ কি? 

উত্তরঃ পল্লী বিদ্যুৎ হল বাংলাদেশের একটি সরকারি সংস্থা যা গ্রামীণ অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। পল্লী বিদ্যুৎ বোর্ড (বিআরইবি) নামে পরিচিত এই সংস্থাটি ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাধ্যমে এই কাজটি পরিচালনা করে।

প্রশ্নঃ পল্লী বিদ্যুৎ মিটার পেতে কতদিন সময় লাগে? 

উত্তরঃ পল্লী বিদ্যুৎ মিটার পেতে সাধারণত ১৫ থেকে ৩০ দিন সময় লাগে। তবে, কিছু ক্ষেত্রে এটি আরও বেশি সময় নিতে পারে।

প্রশ্নঃ নতুন মিটারের আবেদন কোন লিংকে করবো? 

উত্তরঃ নতুন মিটারের আবেদন করার জন্য নিচের লিঙ্কটিতে ক্লিক করুন:

https://rebpbs.com

এই লিঙ্কটিতে ক্লিক করলে আপনি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নতুন সংযোগের জন্য আবেদন ফর্মটি পাবেন। আবেদন ফর্মটি পূরণ করার পর, আপনাকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের স্ক্যান কপি আপলোড করতে হবে এবং আবেদন ফি প্রদান করতে হবে।

প্রশ্নঃ মিটারের আবেদন করতে কি কি লাগে?

উত্তরঃ মিটারের আবেদন করতে যা যা লাগে:

  • আবেদনকারীর নাম ও সক্রিয় মোবাইল নম্বর।
  • NID বা জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর ও স্থায়ী ঠিকানা এবং সংযোগস্থলের ঠিকানা।
  • সংযোগস্থলের জমির মালিকানা তথ্য, দাগ নং ও খতিয়ান নম্বর(প্রমাণ হিসেবে খারিজের/দলিলের স্ক্যান কপি সংযুক্ত করতে হবে)।
  • আবেদন ফি।

প্রশ্নঃ পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদন ফি কত টাকা?

উত্তরঃ পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদন ফি ১১৫ টাকা। এই ফিটি আবেদনকারীকে ক্যাশ, ব্যাংক ড্রাফট বা রকেটের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।

প্রশ্ন: পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদন পত্র কোথায় পাওয়া যায়?

উত্তর: পল্লী বিদ্যুৎ অফিস থেকে পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদন পত্র পাওয়া যায়। এছাড়াও, পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ওয়েবসাইট থেকে আবেদনপত্র ডাউনলোড করা যায়।

প্রশ্ন: পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদন পত্র কিভাবে পূরণ করব?

উত্তর: পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদনপত্র সঠিকভাবে পূরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আবেদনপত্র সঠিকভাবে পূরণ করতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো খেয়াল রাখুন:

  • আবেদন পত্রের সমস্ত তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করুন।
  • আবেদন পত্রের সাথে সমস্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করুন।
  • আবেদনপত্র সঠিকভাবে স্বাক্ষর করুন।

প্রশ্ন: পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদন পত্র কোথায় জমা দিতে হয়?

উত্তর: পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদন পত্র আপনার এরিয়ার পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে জমা দিতে হয়।

প্রশ্ন: পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদন পত্রের সর্বশেষ অবস্থা কিভাবে জানা যায়?

উত্তর: আপনার আবেদন পত্রের অবস্থান জানতে আপনি পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। এছাড়াও, পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ওয়েবসাইট থেকে আবেদন পত্রের অবস্থান চেক করা যায়।

প্রশ্ন : পল্লী বিদ্যুৎ মিটার পেতে কি কি যোগ্যতা লাগে?

উত্তর: পল্লী বিদ্যুৎ মিটার পেতে নিম্নলিখিত যোগ্যতা লাগে:

  • আবেদনকারী বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
  • আবেদনকারীর বয়স ১৮ বছর বা তার বেশি হতে হবে।
  • আবেদনকারীর একটি বৈধ ঠিকানা থাকতে হবে।

শেষ কথা | পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদন 

প্রিয় পাঠক মনোযোগ সহকারে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি ধাপে ধাপে পড়লে আশাকরি আপনি নিজে থেকেই ‘পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদন’ করতে পারবেন।  লেখাটি ভালো লাগলে ও এই ধোনের আরোও প্রয়োজনীয় টিপস ট্রিক্স পেতে আমাদের ওয়েবসাইটের নোটিফিকেশন অন করে দিন এবং লেখাটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন।  

Also read: নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন

Related Post

খুশির স্ট্যাটাস

200+ স্টাইলিশ খুশির স্ট্যাটাস | হাসি নিয়ে ক্যাপশন

খুশির স্ট্যাটাস | হাসি নিয়ে ক্যাপশন জীবনের সুন্দর খুশির মুহূর্ত আমরা সবাই বাঁধাই করে রাখতে চাই। আর এই খুশির মুহূর্তকে ধরে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায়

Read More »
❤love status bangla | ভালোবাসার ছন্দ | রোমান্টিক ছন্দ | প্রেম ছন্দ স্ট্যাটাস❤

স্টাইলিশ ভালোবাসার ছন্দ | রোমান্টিক ছন্দ | Love Status Bangla

❤❤ভালোবাসার ছন্দ | ভালোবাসার ছন্দ রোমান্টিক | ভালোবাসার ছন্দ স্ট্যাটাস❤❤ ভালোবাসা হলো এক অন্যরকম অনুভূতির নাম, যা শুধুমাত্র কাউকে ভালবাসলেই অনুভব করা যায়। আমরা বিভিন্নভাবে

Read More »
মন খারাপের স্ট্যাটাস

মন খারাপের স্ট্যাটাস, উক্তি, ছন্দ, ক্যাপশন, কিছু কথা ও লেখা

মন খারাপের স্ট্যাটাস মন খারাপ – এই কষ্টের অনুভূতি কার না হয়? সবারই কখনো না কখনো সবারই মন খারাপ হয়। জীবনের ছোটোখাটো অঘটন থেকে শুরু

Read More »
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের উক্তি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের উক্তি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের উক্তি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বলা হয় বিশ্বকবি। তিনি ছিলেন একজন বিচক্ষণ ও গুনী লেখক। প্রেম চিরন্তন এবং সত্য। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাঙালীর মনে প্রেমের

Read More »
ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা

ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা | Breakup Status Bangla

ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা আপনি কি আপনার প্রিয়জনের সাথে সম্পর্ক থেকে বের হয়ে এসেছেন? আর সেটা আপনি কোন ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা মাধ্যমে বোঝাতে চাচ্ছেন। তাহলে আপনি

Read More »

Leave a Comment

Table of Contents