Dreamy Media BD

মহাদেশ কয়টি ও কি কি 

মহাদেশ কয়টি ও কি কি 

আমাদের অনেকের মনেই প্রশ্ন ঘুরপাক খেতে পারে মহাদেশ কয়টি ও কি কি? কিন্তু এর সঠিক উত্তর অনেকেরই অজানা। প্রিয় দর্শক মহাদেশ নিয়ে আজকের এই আলোচ্য বিষয়। ভূতত্ত্ববিদদের মতে বড় বড় দ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত হয় এক একটি মহাদেশ। আদি পৃথিবী উত্তপ্ত তরল উপরিভাগ ধীরে ধীরে ক্রমাগত ঠান্ডা হবার ফলে সৃষ্টি হয়েছে বর্তমান কঠিন ভূত্বক। ভূত্বকের উপরিভাগ কঠিন এবং শীতল হলেও এর নিচের অর্থাৎ পৃথিবীর অভ্যন্তর এখনো উত্তপ্ত। 

মহাদেশ হলো একটি বড় ভূখণ্ড যা একাধিক রাষ্ট্র বা অঞ্চলকে একত্র জোড়া করে থাকে। চলুন আজ আমরা জানবো মহাদেশ কয়টি ও কি কি এবং মহাদেশ সম্পর্কে খুঁটিনাটি তথ্য? 

 

মহাদেশ কি ?

ভৌগলিক অঞ্চল গুলোকে সাধারণত মহাদেশ নামে ডাকা হয়। মূলত মহাদেশ হচ্ছে এই পৃথিবীর বুকে বড় বড় ভূখন্ড। পৃথিবীর সম্পূর্ণ ভূমিকে খন্ড খন্ড আকারে বিভিন্ন অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। পৃথিবীর বুকে এই বড় বড় ভূখণ্ড অঞ্চলগুলো এক একটি মডেল যা ভৌগোলিকভাবে মহাদেশ নামে পরিচিত।

মহাদেশ কাকে বলে?

 

খুব সহজভাবে বলা যেতে পারে একই সাথে অনেকগুলো দেশ বা অঞ্চলের সমষ্টিকে মহাদেশ বলা যায়। একটি মহাদেশে অনেক গুলো দেশের অবস্থান হলেও মহাদেশে অবস্থিত ভিন্ন ভিন্ন দেশের মানুষের ধর্ম,বর্ণ, আচার আচরণ এমনকি সংস্কৃতি সভ্যতা সবকিছু আলাদা আলাদা রকমের।

 

মহাদেশ কয়টি ও কি কি?

মহাদেশ কয়টি ও কি কি

পৃথিবীর মানচিত্রে মহাদেশেকে সাতটি খন্ডে ভাগ করা হয়েছে। যথা:

  • ১.এশিয়া।
  • ২.আফ্রিকা।
  • ৩.ইউরোপ।
  • ৪.উত্তর আমেরিকা।
  • ৫.দক্ষিণ আমেরিকা।
  • ৬. অস্ট্রেলিয়া।
  • ৭. অ্যান্টার্কটিকা।

নিচে এই মহাদেশ সম্পর্কে কিছু ধারনা দেওয়া হলো-

এশিয়া মহাদেশ

মহাদেশ কয়টি ও কি কি

এশিয়া মহাদেশের কথা তো অনেক শুনেছেন এই দেশটির গহিনে কি কখনো যাওয়া হয়েছে? না গেলে কোনো সমস্যা নেই আজ আলোকপাত করবো এশিয়া মহাদেশ নিয়ে। প্রথমেই বলে রাখি এশিয়া একটি বহু জনবহুল দেশ। একটা মজার বিষয় হলো এশিয়া ইউরোপের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই অর্থাৎ ইউরোপ ও এশিয়া একই ভূখণ্ডে অবস্থিত। তাই ইউরোপ ও এশিয়ায়ে একত্রে ইউরেশিয়াও বলা হয়। সাংস্কৃতিক দিক থেকে এশিয়া মহাদেশ অনেক উন্নত। 

 

এশিয়া মহাদেশের দেশগুলোর মানুষের ভাষা, ধর্ম, বর্ণ সবকিছুতেই রয়েছে বৈচিত্রের ছোয়া। যার ফলে এশিয়া মহাদেশকে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের তুলনায় আলাদা করে তুলেছে। তবে অধিকহারে জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে এশিয়া মহাদেশে আর্থিক দিক থেকে সচ্ছলতা নেই। এছাড়া জনসাধারণের জীবন ও মান অতি নিম্নবিত্ত। এইদিক থেকে এই দেশটি পিছিয়ে আছে। এই মহাদেশটির দেশগুলো অনেক সুন্দর হওয়ায় বিভিন্ন দেশের মানুষ দর্শনের উদ্দেশ্যে যায়।

 

এশিয়া মহাদেশ নিয়ে কিছু তথ্য 

 

  • এশিয়া মহাদেশ মোট- ৪৯ টি দেশ নিয়ে গঠিত।
  • এদেশের মোট জনসংখ্যা- ৪,৫৬০,৬৬৭,১০৮ জন ২০১৮ সালের তথ্য অনুসারে।
  • দেশটির মোট আয়তন- ৪,৪৫,৭৯,০০০ কি:মি:।
  • সর্বোচ্চ দর্শনীয় স্থান- মাউন্ট এভারেস্ট। 
  • সর্বনিম্ন দর্শনীয় স্থান- মৃত নদী।
  • সবচেয়ে বড় নদী- ইয়াংসিকিয়াং এটি চীনে অবস্থিত।

আফ্রিকা মহাদেশ

মহাদেশ কয়টি ও কি কি

আফ্রিকা মহাদেশের নাম শুনলেই চোখে ভাসে সবুজ অরণ্য আফ্রিকার জঙ্গল। এর ব্যতীত আফ্রিকা মহাদেশ সম্পর্কে অনেকেই জানেন না তাদের কথা মাথায় রেখে বিস্তারিত থাকছে তাই পুরোটা পড়ুন। আফ্রিকা মহাদেশ জনসংখ্যা ও আয়তনের দিক থেকে পৃথিবীর দ্বিতীয় মহাদেশ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। আপনি কি জানেন আফ্রিকা মহাদেশের অনেকটা জায়গা জুড়েই রয়েছে বিস্তৃত মরুভূমি। এবং আরও জানার বিষয় পৃথিবীর সর্বোত্তম মরুভূমি সাহারা মরুভূমি আফ্রিকার মাটিতেই অবস্থিত। 

আফ্রিকা মহাদেশের বেশিরভাগ স্থানে রয়েছে বড় বড় সাগর। আফ্রিকার চারপাশে রয়েছে চারটি মহাদেশ। মধ্যবর্তী স্থানেই রয়েছে প্রাচুর্যময় আফ্রিকা মহাদেশ। আফ্রিকা মহাদেশে প্রাকৃতিক সম্পদে পরিপূর্ণ। তেল, গ্যাস, স্বর্ণ সবকিছু পরিপূর্ণ দেশ আফ্রিকা। এইদিক থেকে আফ্রিকাকে পৃথিবীর সেরা ধনী মহাদেশ হিসেবে ধরা যেতে পারে। আফ্রিকার বৈচিত্র্যতা, শিল্প ও সাংস্কৃতি, ভাষা, ধর্ম, বর্ণ রংধনুর মতো রঙিন করে তুলেছে। এদেশের অনেক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস লক্ষ্য করা যায়। 

আফ্রিকা মহাদেশ নিয়ে কিছু তথ্য 

  • আফ্রিকা মহাদেশে মোট- ৫৪ টি দেশ আছে। 
  • আফ্রিকা মহাদেশের আয়তন- ৩,০২,২১,৫৩২ কি:মি:। 
  • এদেশের মোট জনসংখ্যা- ১,২৭৫,৯২০,৯৭২ জন (২০১১ সালের তথ্য অনুসারে)।
  • সর্বোচ্চ দর্শনীয় স্থান- কিলিমানজারো।
  • সর্বনিম্ন দর্শনীয় স্থান- আসাল হ্রদ।

ইউরোপ মহাদেশ 

মহাদেশ কয়টি ও কি কি

পৃথিবীর দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম মহাদেশ কোনটি জানেন? কোনো ব্যাপার না আমি বলছি ইউরোপ। ইউরোপকে পৃথিবীর দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম মহাদেশ বলা হয়। এশিয়া নিয়ে পড়ে থাকলে আপনি তো জানেনই ইউরোপ মহাদেশ এশিয়া মহাদেশের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। এটি পৃথিবীতে দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম মহাদেশ হলেও জনসংখ্যার দিক থেকে এটি পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম মহাদেশ। আগেকার দিনে ইউরোপ রাজ্যবাদের মাধ্যমে পৃথিবী অনেকাংশ দখল করে নেয়। 

যেটা প্রায় ১৫ শতকের শুরুর দিকে হয়েছিল। যার ফলে আজও ইউরোপীয়দের অর্থাৎ ব্রিটিশদের ছাপ লক্ষ্য করা যায়। ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে কোনো কেন্দ্রীয় বাধা নিষেধ নেই। কারন ইউরোপের বেশিরভাগ দেশগুলো একত্রে মিলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন গঠন করেছে। সবচেয়ে বড় সুযোগ সুবিধা হলো ইউরোপের যে কোন দেশে কোন ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করা যায়। যার ফলে খুব সহজে ব্যবসায়ীরা এক দেশ থেকে অন্য দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য করে অধিক লাভবান হচ্ছে। ইউরোপের মুদ্রাকে ইউরো বলা হয়। 

ইউনাইটেড কিংডম ইউরোপের ইউনিয়নের সঙ্গে জড়িত থাকলেও পরবর্তীতে তারা ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করে। আন্তর্জাতিকভাবে এই বিষয়টি ব্রেক্সিট হিসেবে পরিচিত।

ইউরোপ মহাদেশ নিয়ে কিছু তথ্য

  • ইউরোপ মহাদেশে মোট- ৪৪ টি দেশ আছে।
  • ইউরোপের মোট আয়তন- ১,০১,৮০,০০০ কি:মি:।
  • এ মহাদেশের মোট জনসংখ্যা- ৭৪২,৪৫২,০০০ জন (২০১৩ সালের তথ্য অনুসারে)।
  • উচ্চতম দর্শনীয় স্থান- এলব্রুস পর্বত।
  • নিম্নতম দর্শনীয় স্থান- কাস্পিয়ান সাগর। 
  • সবচেয়ে বড় নদী- ভলগা।
  • সবচেয়ে বড় পর্বতমালা- আল্পস পর্বতমালা।

উত্তর আমেরিকা মহাদেশ

মহাদেশ কয়টি ও কি কি

“আমেরিকা” নাম শুনলেই মনে উঠে আসে হাজারও প্রশ্ন। এটা আমার আপনার অনেকেরই ড্রিম কান্ট্রি। চলুন আজ জেনে নিই আমেরিকার না না উত্তর আমেরিকা নিয়ে কিছু তথ্য। উত্তর আমেরিকা পৃথিবীর অন্যতম মহাদেশ। এটিও অন্যান্য মহাদেশের মতো বহু জনবহুল মহাদেশ। এটি পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। উত্তর আমেরিকা মহাদেশটির উত্তরে রয়েছে উত্তর মহাসাগর, পূর্বে আছে আটলান্টিক মহাসাগর, দক্ষিণ পশ্চিমে আছে প্রশান্ত মহাসাগর 

এছাড়া ক্যারিবীয় সাগর নামেও একটি সাগর আছে। জানার বিষয় উত্তর আমেরিকার সবচেয়ে বড় দেশ হচ্ছে কানাডা। যুক্তরাষ্ট্র এর কাছাকাছিই। যাকে অনেকে আমেরিকা ও বলে। আমেরিকাকে আমেরিকা নামকরণ করা হয়েছে ইতালীয় পরিব্রাজক আমিরিগো ভেসপুচ্চির থেকে। এ নামকরণে অনেকের রয়েছে অনেক রকম মতবাদ। এখানকার আবহাওয়া এতোটাই ঠান্ডা শীতের সময় এখানে টেকা খুব মুশকিল। 

যার ফলে একে বরফের দেশ বললেও ভুল হবে না। সব স্থানে আবার একই রকম আবহাওয়া নয়। মজার বিষয় হলো উত্তর আমেরিকার অনেক স্থানে রয়েছে ধুধু বালুকাময় মরুভূমি। উত্তর আমেরিকা মহাদেশটি সত্যিই বৈচিত্র্যময়। উত্তর আমেরিকায় অনেক বছর ধরে ব্রিটিশদের শাসন চলার কারণে সেখানকার অধিবাসীরা অনেকেই ইংরেজি, স্পেনীয় ও ফরাসি ভাষার কথা বলে।

উত্তর আমেরিকা মহাদেশ নিয়ে কিছু তথ্য 

  • উত্তর আমেরিকায় মোট দেশের সংখ্যা- ২৩ টি।
  • উত্তর আমেরিকায় মোট দেশের আয়তন- ২,৪৭,০৯,০০০ কি:মি:।
  • এ দেশের মোট জনসংখ্যা- ৫৬৫,২৬৫,০০০ জন (২০১৩ সালের তথ্য অনুসারে)।
  • জলপ্রপাত- নায়াগ্রা জলপ্ৰপাত। 
  • সবচেয়ে বড় হ্রদ- সুপিরিয়র হ্রদ।
  • উচ্চতম দর্শনীয় স্থান- দেনালি।
  • নিম্নতম দর্শনীয় স্থান- মৃত উপত্যকা।

দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ

মহাদেশ কয়টি ও কি কি

দক্ষিণ আমেরিকা ও অন্যান্য মহাদেশের মতোই একটি বৃহত্তম ও জন বহুল দেশ। এই মহাদেশটি পৃথিবীর দক্ষিণ পশ্চিম দিকে অবস্থিত। এটি উত্তর আমেরিকার কাছেই অবস্থিত বিধায় অনেকেই উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিন আমেরিকাকে একত্রে মিলে আমেরিকাস বলে অভিহিত করে। উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা এতোটা কাছাকাছি হওয়ার পর ও দুই দেশের মধ্যে রয়েছে পার্থক্য। সাংস্কৃতিক, ভাষা, ঐতিহ্যের কথাই বলছি। 

পাশাপাশি বন্ধুর মতোই বসবাস করলেও দুটি দেশের মধ্যে রয়েছে বিস্তর পার্থক্য। উত্তর আমেরিকা মহাদেশটির মধ্যে সবচেয়ে বড় দেশ ব্রাজিল। আরো জানার বিষয় দক্ষিণ আমেরিকাতেই রয়েছে পৃথিবীর সর্বোত্তম বনভূমি অ্যামাজন জঙ্গল। সাতটি দেশ নিয়ে অ্যামাজন জঙ্গল অবস্থিত। আর সবার জানার কথা রেইন ফরেস্ট অ্যামাজনকে পৃথিবীর ফুসফুস বলেও বিবেচিত করা হয়। 

দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের নিয়ে কিছু তথ্য 

 

  • দক্ষিণ আমেরিকা মোট- ১২টি দেশ নিয়ে গঠিত।
  • দক্ষিণ আমেরিকার মোট আয়তন- ১,৭৮,৪০,০০০ কি:মি:।
  • এ দেশের মোট জনসংখ্যা- ৪২৩,৫৮১,০৭৮ জন।  
  •  সবচেয়ে বড় পর্বতমালা- আন্দিজ। 
  • সবচেয়ে বড় হ্রদ- টিটিকাকা, বলিভিয়া
  • সবচেয়ে বড় রেইন ফরেস্ট- অ্যামাজন জঙ্গল।
  • সেখানকার চীর বসন্তের দেশ- ইকুয়েডর।
  • উচ্চতম দর্শনীয় স্থান- অ্যাকনকাগুয়া পর্বত।
  • নিম্নতম দর্শনীয় স্থান- লাগুনা দেন কার্বন।

ওশেনিয়া মহাদেশ

মহাদেশ কয়টি ও কি কি

ওশেনিয়া মহাদেশ পৃথিবীর অন্যান্য দেশের তুলনায় সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম মহাদেশ। তবে এটি জনসংখ্যার দিক থেকে বিবেচনা করতে গেলে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে। এই মহাদেশটিকে অস্ট্রেলিয়া মহাদেশও বলা হয়। তবে এটার সত্যতা এখনো জানা যায়নি। আসলে অস্ট্রেলিয়ার মূল ভূখণ্ডের এবং এর পাশাপাশি আরো কিছু জায়গা নিয়ে ওশেনিয়া মহাদেশ অবস্থিত। যার কারনেই মহাদেশটি কে অস্ট্রেলিয়া বলা হয়। তবে এটি সত্যি নয়। 

ওশেনিয়া নামকরণ করা হয়েছে মূলত সমুদ্র ঘেরা অঞ্চল হওয়ার কারনে। যেহেতু এই দেশটির ভিতরেই অস্ট্রেলিয়া দেশটির ছাপ পাওয়া যায় তারপরও দুটি দুই দেশ। অস্ট্রেলিয়া অনেক বড় দেশ হলেও এদেশের জনসংখ্যা খুবই নগণ্য তাই জন্য দেশের একটা অংশ এখনো ফাঁকাই থেকে গেছে। 

 

ওশেনিয়া মহাদেশ নিয়ে কিছু তথ্যাবলী 

 

  • ওশেনিয়া মহাদেশ ১৪ টি দেশ নিয়ে গঠিত।
  • ওশেনিয়া মহাদেশের মোট আয়তন- ৮৫,২৫,৯৮৯ কি:মি:।
  • এ দেশের মোট জনসংখ্যা- ৩৬,৬৫৯,০০০ জন (২০১০ সালের তথ্য অনুসারে)।
  • সবচেয়ে বড় নদী- মারে ডার্লিং।
  • সবচেয়ে উঁচু পর্বত- পুনাক জায়া।
  • উচ্চতম দর্শনীয় স্থান- পুঞ্চাক জায়া।
  • নিম্নতম দর্শনীয় স্থান- আয়ার হ্রদ।

 

অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ

মহাদেশ কয়টি ও কি কি

জনসংখ্যায় সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম দেশ হলো অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ। তবে আয়তনের দিক থেকে পিছিয়ে নেই কিন্তু অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ। পঞ্চম স্থান অধিকার করেছে আয়তনের দিক থেকে। এটি পৃথিবীর দক্ষিণে অবস্থিত। অ্যান্টার্কটিকা একটি বড় মহাদেশ হওয়ার পরও এই মহাদেশের কোন দেশের অস্তিত্ব নেই। এদেশের ঘনবসতি খুব একটা নেই বললেই চলে। কারণ দেশটি এতোটা ঠান্ডা সব সময় বরফের ঢাকা পড়ে থাকে। 

 

ঊনবিংশ শতাব্দীর আগের মানুষ কখনো এই মহাদেশ দেখেনি। এটা খুব আশ্চর্যকর তাই না? জনমানবহীন মহাদেশ ছিল একসময় এই অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ। তবে তখনকার মানুষের মনে হতো এই দেশের অস্তিত্ব আছে এই সম্পর্কে। পরবর্তীতে তাদের ধারনা সঠিক হয়েছে। সকালের সামনে ধরা দিয়েছে দেশটি। বর্তমানে দেশটিতে খুবই অল্প সংখ্যক লোক বসবাস করছে।

অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ নিয়ে কিছু তথ্য 

  • অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশে কোনো দেশ নেই। 
  • এই মহাদেশের আয়তন-১,৪২,০০,০০০ কি:মি:।
  • দেশটির জনসংখ্যা- ৫০০০ জন।
  • দেশটির বিশেষত্ব- বরফে ঢাকা পুরো মহাদেশ। 
  • সবচেয়ে উঁচু পর্বত- ভিনসন ম্যাসিফ।
  • উচ্চতম দর্শনীয় স্থান- পুঞ্চাক জায়া।
  • নিম্নতম দর্শনীয় স্থান- আয়ার হ্রদ।

শেষ কথা

প্রিয় দর্শক তো এই ছিল আজকের আয়োজন। আশা করি পুরোটা পড়েছেন। মহাদেশ কয়টি ও কি কি এই সমন্ধে সংক্ষিপ্ত ধারনা দিয়ে শেষ করলাম আমার আর্টিকেলটি। দেখা হবে অন্য কোনো দিন অন্য কোনো আর্টিকেল নিয়ে ততক্ষন ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন বিদায়।

Also read: কৃষিকাজে বিজ্ঞান রচনা  

 

Related Post

খুশির স্ট্যাটাস

200+ স্টাইলিশ খুশির স্ট্যাটাস | হাসি নিয়ে ক্যাপশন

খুশির স্ট্যাটাস | হাসি নিয়ে ক্যাপশন জীবনের সুন্দর খুশির মুহূর্ত আমরা সবাই বাঁধাই করে রাখতে চাই। আর এই খুশির মুহূর্তকে ধরে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায়

Read More »
❤love status bangla | ভালোবাসার ছন্দ | রোমান্টিক ছন্দ | প্রেম ছন্দ স্ট্যাটাস❤

স্টাইলিশ ভালোবাসার ছন্দ | রোমান্টিক ছন্দ | Love Status Bangla

❤❤ভালোবাসার ছন্দ | ভালোবাসার ছন্দ রোমান্টিক | ভালোবাসার ছন্দ স্ট্যাটাস❤❤ ভালোবাসা হলো এক অন্যরকম অনুভূতির নাম, যা শুধুমাত্র কাউকে ভালবাসলেই অনুভব করা যায়। আমরা বিভিন্নভাবে

Read More »
মন খারাপের স্ট্যাটাস

মন খারাপের স্ট্যাটাস, উক্তি, ছন্দ, ক্যাপশন, কিছু কথা ও লেখা

মন খারাপের স্ট্যাটাস মন খারাপ – এই কষ্টের অনুভূতি কার না হয়? সবারই কখনো না কখনো সবারই মন খারাপ হয়। জীবনের ছোটোখাটো অঘটন থেকে শুরু

Read More »
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের উক্তি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের উক্তি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের উক্তি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বলা হয় বিশ্বকবি। তিনি ছিলেন একজন বিচক্ষণ ও গুনী লেখক। প্রেম চিরন্তন এবং সত্য। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাঙালীর মনে প্রেমের

Read More »
ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা

ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা | Breakup Status Bangla

ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা আপনি কি আপনার প্রিয়জনের সাথে সম্পর্ক থেকে বের হয়ে এসেছেন? আর সেটা আপনি কোন ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা মাধ্যমে বোঝাতে চাচ্ছেন। তাহলে আপনি

Read More »

Leave a Comment

Table of Contents