Dreamy Media BD

ম্রো বিয়ের আদ্যোপান্ত

ম্রো
নারী-পুরুষ দু’জন মানুষের একসাথে থাকার সামাজিক স্বীকৃতি হলো বিয়ে। প্রাচীনকাল থেকেই বিভিন্ন জাতি-গোষ্ঠীর মধ্যে এ সামাজিক প্রথা চলে আসছে। যেকোনো সমাজে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ককে সু-দৃষ্টিতে দেখা হয় না। ম্রো উপজাতিও এর ব্যতিক্রম নয়। সামাজিক রীতি-নীতি মেনে পরিবার গঠনের উদ্দেশ্যে ম্রো নারী-পুরুষও বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ হয়। ম্রোদের মুরংও বলা হয়। পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলার ১১ টি উপজাতির মধ্যে ম্রো’রা বেশ পুরোনো জাতিগোষ্ঠী । মূলত বাংলাদেশের বান্দরবান জেলায় তাদের বসবাস। এছাড়াও মায়ানমারের আরাকান রাজ্য, ভারতের পশ্চিমবঙ্গেও কিছুসংখ্যক ম্রো আদিবাসী বাস করে। ম্রোদের বংশধর নিয়ে মজার একটি কাহিনী আছে। ম্রোদের নৈজারগোত্রের ধারণামতে, আদিতে গহিন বনে এক কাঁঠাল গাছ ছিল। সেই গাছে সুন্দর কাঁঠাল ধরত। একদিন কাঁঠাল পেকে হঠাৎ তার মধ্য থেকে এক রুপসী কন্যা বেরিয়ে এল। একইভাবে ডেংগোয়া (কলাগাছ) থেকে এক সুন্দর পুরুষ বেরিয়ে এসেছিল। তাদের সন্তানরাই আজ নানা গোষ্ঠীর বংশধর।
ম্রো আদিবাসী সমাজে একই গোত্রের মধ্যে বিয়ে সম্পূর্নভাবে নিষিদ্ধ। আপন চাচাতো ভাইবোন, আপন মাসি, পিসি, মামি, কাকি, জেঠি সম্পর্কের কেউ বিধবা বা তালাকপ্রাপ্ত হলেও তাকে বিয়ে করা যায় না। আবার ছোট ভাইয়ের তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রী, ভাইয়ের পুত্র বা ভাগিনার বিধবা বা তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রী এবং একই পিতার ঔরসজাত ভিন্ন মাতার গর্ভজাত ছেলে-মেয়ের মধ্যেও বিয়ে নিষিদ্ধ। তবে আপন মামাতো বোন, বড় বা ছোট ভাইয়ের শালী, বড় ভাইয়ের বিধবা স্ত্রী কিংবা তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রী, সমন্ধীর বিধবা বা তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রী, মাসি বা পুত্রবধূদের দূর-সম্প্রকীয় মামার গোষ্ঠীর মেয়েকে বিয়ে করা যায়। সামাজিক রীতি অনুযায়ী একটি গোত্রের ছেলেরা অন্য কয়েকটি নির্দিষ্ট গোত্রের মেয়েদের বিয়ে করতে পারে। আবার, কোনো গোত্রের ছেলেরা যে গোত্রের মেয়েদের বিয়ে করে, ওই একই গোত্রের মেয়েদের ওই সব গোত্রের ছেলেদেরকে বিয়ে করা নিষিদ্ধ থাকে। বিয়ের ক্ষেত্রে তারা কিছু সামাজিক নিয়ম মেনে চলে, যেমন-১. কোনো বাড়িতে পাত্রী দেখার পর্ব শুরু হলে বিয়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত অন্য কেউ সেখানে বিয়ের প্রস্তাব আনতে পারে না।২. বিয়ের পাকা কথা হওয়ার পর কোনো কারণে বিয়ে ভেঙ্গে গেলে ক্ষতিপূরণ দিতে হয়।৩. কোনো গ্রামে লোকচক্ষুর আড়ালে বউ আনতে গেলে ওই গ্রামের যুবনেতাকে এক বোতল মদ দিতে হয়।৪. বড় ভাইয়ের আগে ছোট ভাই বিয়ে করলে, ছোট ভাইকে বড় ভাইয়ের নিকট জরিমানা দিতে হয়।৫. বিয়ে করলে বরপক্ষকে কন্যার পিতাকে ‘বুকসুং’স্বরুপ টাকা দিতে হয়।৬. কন্যার মামাকে ‘চুম্মুয়া’ হিসেবে টাকা দিতে হয়।ম্রো সমাজে বিয়ের ক্ষেত্রে বাবা-মায়ের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। সাধারণত ডিসেম্বর-মার্চ পর্যন্ত শীতে যখন জুমে কাজ-কর্ম থাকে না তখন ম্রোদের বিয়ের অনুষ্ঠান হয়। এই সময়ে অভিভাবকরা বধূ নির্বাচনের জন্য গ্রাম ভ্রমণে বের হয়। যে গ্রামে বিবাহযোগ্য বৈধ সম্পর্কীয় আত্মীয়স্বজন আছে, অভিভাবকরা পাত্রীর সন্ধানে  সেই গ্রাম ভ্রমণে বের হয়। যদি পাত্রীর সন্ধান পায় তখন ছেলের পছন্দ যাচাইয়ের জন্য ছেলেকে পাত্রীর নিকট পাঠানো হয়। ছেলে তার বন্ধু-বান্ধব নিয়ে কনের বাড়িতে গিয়ে আড্ডা দেয়। ম্রোদের ভাষায় এই আড্ডাকে বলা হয় ‘চামপোয়া’। মেয়ে পছন্দ হলে ছেলে তার অভিভাবক ও কয়েকজন সঙ্গী নিয়ে এক বোতল মদ সহ কন্যার বাড়িতে যায়। উভয়ের পছন্দ হলে আলোচনার মাধ্যমে ওই দিনই বিয়ের দিন ধার্য করা হয়। বিয়ের দিন ঠিক  হলে এক সপ্তাহ পর ৩০টি রূপার মুদ্রা, ৩ রুপার সমমূল্যের একটি বল্লম, একটি তলোয়ার, একটি তীর কন্যার পিতার হাতে তুলে দেওয়া হয়। ম্রোদের বিয়ের রীতিতে এটাই বিয়ের বায়না। বিয়ের দিনক্ষণ ঠিক হওয়ার পর থেকে বরপক্ষ ২৫ বা ৩০ টি মাটির কলস বা ‘ইয়ো’ বা মদ প্রস্তুত করে রাখে। এরপর শুরু হয় বিয়ের পর্ব।রাতে কন্যার বাড়িতে বরপক্ষ ৪০ টি মোরগ-মুরগি নিয়ে যায় যা রান্নার দায়িত্ব কনেপক্ষের উপর থাকে। আবার বরপক্ষ থেকে আগত অতিথিদের জন্য কনেপক্ষ একটি ‘পাঁচ মুট্যা’ মর্দা শূকর জবাই করে। এভাবে রাতভর মদ্যপানের মাধ্যমে চলতে থাকে বধূবরণ অনুষ্ঠান। বধূবরণ অনুষ্ঠানে খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে ম্রোদের মধ্যে একটি ভিন্নতা লক্ষ্য করা যায়। তাদের সামাজিক রীতি অনুযায়ী বরের জন্য শ্বশুর বা মামার বাড়িতে মোরগ-মুরগির মাংস খাওয়া এবং জামাই বা ভাগ্নের বাড়িতে শূকরের মাংস খাওয়া নিষিদ্ধ। শ্বশুর বা মামা সম্পর্কীয় গোষ্ঠীর লোকেরা বরপক্ষের আনা মোরগ-মুরগি খেতে পারে অন্যদিকে বরপক্ষের লোকেরা শুধু শূকরের মাংস খেতে পারে।বিদায়ের বেলায় কনেপক্ষের জেঠি, চাচি, বউদিরা কনেকে বিদায় জানায় আর বরপক্ষের চাচি, জেঠি, বউদিরা কনেকে গ্রহণ করে। নববধূকে বিভিন্ন ধরণের রুপার অলংকার দিয়ে সাজানো হয়। বিদায় বেলায় কনেপক্ষের লোক বাঁশি বাজায়। বাঁশির সুর শুনে কনের মুখ লজ্জায় রাঙা হয়ে যায়। যাওয়ার ইচ্ছা থাকলেও কন্যা যেতে অনীহা প্রকাশ করে। এভাবে বেলা ঘনিয়ে এলে কনের মনে চান্ঞ্চল্য বৃদ্ধি পায় এবং সে ধীরে ধীরে কক্ষ হতে বের হয়ে আসে। শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার কালে কনেকে ‘পানথিন’ নামক এক প্রকার মূল্যবান কাপড় ভাঁজ করে মাথায় দিয়ে শ্বশুর বাড়ি যেতে হয়। মূলত আকাশ থেকে চন্দ্র-সূর্য দেবতার নজর থেকে বাঁচার জন্য এমনটা করা হয়। এটা ম্রোদের বিশ্বাস। শ্বশুর বাড়িতে পৌঁছার পর কনেপক্ষের লোকদের মদ দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।ম্রো গোষ্ঠীতে দুই ধরণের বিয়ের প্রচলন আছে। এক নিমাঙ বা দিনে বউ আনা, দুই ওয়ামাঙ বা রাতে বউ আনা। নিমাঙ রীতিতে বিয়ে দিনের বেলায় সম্পন্ন হয়। সাধারণত ম্রো সমাজে যারা অর্থশালী তারাই এই পদ্ধতিতে বিয়ে করে। অন্যদিকে, ওয়ামাঙ পদ্ধতিতে রাতের বেলায় বিয়ে সম্পন্ন হয়। যাদের আর্থিক অবস্থা দূর্বল , তারা বর-কনে পক্ষের সম্মতিতে রাতের বেলায় চুরি করে বউ নিয়ে আসে। এই রীতিতে বিয়ের নির্দিষ্ট দিনের একদিন আগে বর তার কয়েকজন বন্ধু নিয়ে কনের বাড়িতে উপস্থিত হয়। রাতে যখন সবাই ঘুমিয়ে পড়ে তখন কনে তার বান্ধবীদের নিয়ে বরের সঙ্গে শ্বশুর বাড়ি চলে আসে। ম্রো বিয়েতে ‘বংকম’ আবশ্যকীয়। ‘বংকম’ মানে হলো বিয়ের বৈধতা। ‘বংকম’ পালন করা না হলে বিয়ে বৈধতা পায় না। এই অনুষ্ঠানের শুরুতে জঙ্গল থেকে পাঁচটি বাঁশ সংগ্রহ করা হয়। বাঁশের, ‘ছিদ্র’ বা ফুল বানিয়ে একটি বাঁশের সাথে আরেকটি বাঁশের ‘ছিদ্র’ সাজিয়ে ঘরে ওঠার সিঁড়ির সংযোগস্থলে মাটিতে পুঁতে রাখা হয়। বাঁশের এই খুঁটিকে ম্রো ভাষায় ‘ স্রচাচুং’ বলা হয়। এই খুঁটির মাধ্যমে ম্রোরা সৃষ্টিকর্তাকে জানিয়ে দেয় যে এই গৃহে বিয়ের অনুষ্ঠান চলছে, কোনো অশুভ অপদেবতারা যেন বর-কনের ক্ষতি করতে না পারে।বংকমের জন্য প্রয়োজন কার্পাস তুলোর সুতো ও শূকরের কেশ। স্রচাচুং পুঁতার পর ‘পাঁচ মুট্যা’ শূকর বল্লম দিয়ে বিদ্ধ কর হত্যা করা হয়। তারপর শূকরের পিঠ থেকে সাতটি কেশ নিয়ে সাত গাছি কার্পাস তুলোর সুতো দিয়ে বর ও কনের ডান হাতের কব্জিতে বাঁধা হয়। অতঃপর তারা মঙ্গল ঘটে মদ ও আদার জল ছিটিয়ে চাল ভরা বুদুম (লাউয়ের খোল) নালিতে ফুঁ দেয়। কপালে মদের জল ও আদার জল ছিটানোর অর্থ হলো, বিয়েকালে নবদম্পতির গায়ে যেন অপদেবতার আঁচড় না লাগে। আর বুদুম ফুঁ দেওয়ার অর্থ হলো-আওয়াজ করা, যাতে শয়তান ভয়ে কেটে পড়ে। সুতোয় বাঁধার অর্থ-নববধূকে গোষ্ঠীর একীভূত করা। এরপর দুপুরে বউভাতের আয়োজন করা হয়।ম্রো বিয়েতে সাধারণত বিয়ের দ্বিতীয় দিন মাঙতাঙ (পণ/ দেনমোহর) প্রদান করা হয়। এটি প্রদানের পূর্বে কনের পিতাকে ‘পইদাং’ (বেতের নির্মিত এক প্রকার টেবিল) এর উপর মুরগির মাংস ও মদ দ্বারা আপ্যায়ন করা হয়। মাঙতাঙ কনের পিতা গ্রহণ করেন। পিতা না থাকলে কনের বড় ভাই বা অভিভাবক তা গ্রহণ করেন। সকালে খাবার শেষে বরের পিতা চালুনের উপর ২০০ টি রূপার মুদ্রা, ৩ টি বল্লম, ২ টি দা,  ১ টি তিম (নিড়ানি), ১ টি তলোয়ার সাজিয়ে কনের পিতার হাতে মাঙতাঙ হিসেবে তুলে দেওয়া হয়। অন্যদিকে বরের পিতাকে সম্মানস্বরূপ ৪০ হাত লম্বা সাদা কাপড় (পাগড়ি হিসেবে ব্যবহারের জন্য) দেওয়া হয়। এছাড়া কনে পক্ষের লোকদের ১ টি করে বল্লম ও মুরগি দেওয়া হয়। এর পরিবর্তে কনে পক্ষ বরকে পাঁচ হাত লম্বা সাদা কাপড় ও ১ কেজি শুঁটকি মাছ দিয়ে থাকে। আবার মা সন্তানকে দশ মাস দশ দিন গর্ভে ধারণ ও দুধ পান করান বলে তাকে দুধের দাম দিতে হয়। এই হিসেবে মাকে ১০ টি রূপার মুদ্রা, মুরগির মাংস ও এক বোতল মদ দেওয়া হয়। একে ‘ইয়নতুই চিয়া’ বলা হয়।রাতে যখন সবাই ঘুমিয়ে পড়ে তখন বর-কনে একটি মুরগির বাচ্চা গলা টিপে হত্যা করে। এসময় একজন ওঝা তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান-‘ অদ্য থেকে আমরা একে অপরের সাথে একাত্ম হলাম। আমাদের আত্মা আজীবন এভাবে অটুট থাকুক। যদি কারণে-অকারণে আমরা একে অপরকে অবিশ্বাস, নির্যাতন, বা তালাক দেই তাহলে মুরগির বাচ্চাকে হত্যা করার সময় সে যেমন ছটফট করেছে আমাদেরও তেমনি যন্ত্রণা হবে’। এভাবে আশীর্বাদ ও সমাপ্তি পর্বের আয়োজন চলে।আশীর্বাদ পর্বে কনের পিতা-মাতা, বর-কনেকে একসাথে বসিয়ে চালুনের উপর পাঁচ টাকা রেখে আশীর্বাদ করে। এভাবে কনেপক্ষের প্রত্যেকে আশীর্বাদ করে নিজ নিজ ঘরে ফিরে যায়। কনেকে বিদায়ের বেলায় ম্রোরা গান গায়-‘এন নম উতাংএন নম পাতাংচাং ক্লীং উই সুমচাং তর উই সুম’।এর মানে হল-‘ও কন্যারেতোমার মাতাতোমার পিতাফুল বিক্রিফল বিক্রির ন্যায়তোমাকে বিক্রি করলো অন্য গোষ্ঠীর কাছে’।এই আদিবাসী সমাজে বিয়ের মত উৎসব-অনুষ্ঠানে ‘নাপ্পী’ নামে এক প্রকার খাবারের আয়োজন করা হয়। এটি তৈরী হয় শূকর, শুঁটকি মাছ, ব্যাঙের পচানো চর্বি থেকে। পচা ভাতও এর সাথে মিশানো হয়। নাপ্পী ম্রোদের সমাজে খুব উপাদেয় খাদ্য হিসেবে পরিচিত।ম্রো সমাজে বিয়েতে নারী-পুরুষ উভয়েই বিভিন্ন সাজে সজ্জিত হয়। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাই বিচিত্র ধরণের গয়না পরিধান করে। রুপার চাকচিক্যময় গয়না ছাড়াও বিভিন্ন ধরণের পুঁতির মালা পরতে দেখা যায় তাদের।ম্রো উপজাতির মধ্যে বিবাহ-বন্ধনে যেমন আবদ্ধ হতে দেখা যায় তেমনি বিচ্ছেদও ঘটতে দেখা যায়। কেউ যদি অযৌক্তিকভাবে স্ত্রীর সাথে বিচ্ছেদ ঘটায় তবে তাকে সমাজচ্যুত করা হয়। এছাড়া ম্রো সমাজে বিধবাবিবাহের প্রচলন আছে।এই আদিবাসী সমাজে নারীদের বিশেষ মর্যাদা আছে। কোনো কোনো অনুষ্ঠান নারীর উপস্থিতি ছাড়া সম্পন্ন হয় না। যেমন- গো হত্যা অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানে নারীকে ‘কিমরেং ইয়ামা’ বা গৃহদেবীরুপে দেখা হয়।

Related Post

খুশির স্ট্যাটাস

200+ স্টাইলিশ খুশির স্ট্যাটাস | হাসি নিয়ে ক্যাপশন

খুশির স্ট্যাটাস | হাসি নিয়ে ক্যাপশন জীবনের সুন্দর খুশির মুহূর্ত আমরা সবাই বাঁধাই করে রাখতে চাই। আর এই খুশির মুহূর্তকে ধরে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায়

Read More »
❤love status bangla | ভালোবাসার ছন্দ | রোমান্টিক ছন্দ | প্রেম ছন্দ স্ট্যাটাস❤

স্টাইলিশ ভালোবাসার ছন্দ | রোমান্টিক ছন্দ | Love Status Bangla

❤❤ভালোবাসার ছন্দ | ভালোবাসার ছন্দ রোমান্টিক | ভালোবাসার ছন্দ স্ট্যাটাস❤❤ ভালোবাসা হলো এক অন্যরকম অনুভূতির নাম, যা শুধুমাত্র কাউকে ভালবাসলেই অনুভব করা যায়। আমরা বিভিন্নভাবে

Read More »
মন খারাপের স্ট্যাটাস

মন খারাপের স্ট্যাটাস, উক্তি, ছন্দ, ক্যাপশন, কিছু কথা ও লেখা

মন খারাপের স্ট্যাটাস মন খারাপ – এই কষ্টের অনুভূতি কার না হয়? সবারই কখনো না কখনো সবারই মন খারাপ হয়। জীবনের ছোটোখাটো অঘটন থেকে শুরু

Read More »
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের উক্তি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের উক্তি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের উক্তি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বলা হয় বিশ্বকবি। তিনি ছিলেন একজন বিচক্ষণ ও গুনী লেখক। প্রেম চিরন্তন এবং সত্য। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাঙালীর মনে প্রেমের

Read More »
ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা

ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা | Breakup Status Bangla

ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা আপনি কি আপনার প্রিয়জনের সাথে সম্পর্ক থেকে বের হয়ে এসেছেন? আর সেটা আপনি কোন ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা মাধ্যমে বোঝাতে চাচ্ছেন। তাহলে আপনি

Read More »

Leave a Comment

Table of Contents