Dreamy Media BD

রাঙ্গামাটি দর্শনীয় স্থান সমূহ

রাঙ্গামাটি দর্শনীয় স্থান সমূহ

রাঙ্গামাটি দর্শনীয় স্থান সমূহ 

রাঙ্গামাটি বাংলাদেশের মধ্যে অন্যতম সুন্দর একটি জায়গা। বাংলাদেশের মধ্যে সর্ববৃহৎ জেলা হচ্ছে রাঙ্গামাটি। রাঙ্গামাটিতে ১০ টি ভাষাভাষীর উপজাতি বাস করে। বাংলাদেশের মধ্যে যে গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে তার মধ্যে রাঙ্গামাটি অন্যতম। রাঙ্গামাটিতে প্রাচীনকালে প্রচুর কার্পাস তুলা পাওয়া যেত। যার কারণে রাঙ্গামাটির প্রাচীন নাম ছিল কার্পাস। রাঙ্গামাটির চির সবুজ বন পাহাড় ঝর্ণার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে মানুষ ঘুরতে আসে রাঙ্গামাটিতে। এর অপরূপ সৌন্দর্যে মানুষ মুগ্ধ হয়ে নাম দিয়েছে রুপের রানী রাঙ্গামাটি। 

রাঙ্গামাটি জেলার দর্শনীয় স্থান সমূহ

রাঙ্গামাটিতে অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে তার মধ্যে যেগুলোর নাম না বললেই নয়। এরকম কিছু জায়গার নাম হচ্ছে সাজেক ভ্যালি, ঝুলন্ত সেতু, কর্ণফুলী রথ, কাপ্তাই লেক,রাজবন বিহার,হাজাছড়া ঝর্ণা, হ্যাপি আইল্যান্ড, পলওয়েল পার্ক,বীরশ্রেষ্ঠ আব্দুর রউফের সমাধি,কমলক ঝর্ণা, মুপ্পোছড়া ঝর্ণা, লেক ভিউ আইল্যান্ড, আরণ্যক হলিডে রিসোর্ট, জুরাছড়ি, রংরাং পাহাড়,  ঘাগড়া ঝরনা, তিন মুখো পিলার, হিল তাজ রিসোর্ট, ফুরমোন পাহাড়, দুধ পানি ঝরনা, গাছকাটা ঝর্ণা, দুমলং পর্বত, রাইখং লেক, পেদা টিং টিং 

সাজেক ভ্যালি

যতদূর চোখ যায় ছোট বড় পাহাড়ের সাড়ি, হাত বাড়ালেই মেঘেদের ছুয়ে দেখার অনুভুতি , পাহাড়ে উঠে সকালের সূর্য উদয় হওয়া এবং বিকেলে সূর্যাস্ত দেখা যেন বাস্তব কোনো দৃশ্য নয়, সবই স্বপ্ন। প্রকৃতির রুপ এত সুন্দর এত আশ্চর্য হয় সাজেকে না গেলে হয়তো কখনো অনুভব করতে পারবেন না৷ সাজেকে  প্রকৃতি নানান রুপ নিয়ে হাজির হয়। সকালের রুপ দেখলে মনে হবে এটাই বুঝি সবথেকে সেরা রুপ, সূর্য আস্তে আস্তে যখন মাথার উপর দাড়াবে তখন দেখবেন অন্যরুপ, বিকেলে এক রুপ তো সন্ধ্যায় আরেকরুপ। ক্ষনে ক্ষনে বদলে যায় সাজেকের রুপ। 

কখন সাজেক ভ্যালি বেড়াতে যাবেন? 

সাজেক ভ্যালি রাঙ্গামাটি জেলার খাগড়াছড়ি উপজেলায় অবস্থিত । সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে সাজেক ভ্যালির উচ্চতা ১৮০০ ফুট। সারা বছরে এবং দিনের প্রতিটি সময় সাজেক রোগ বদলায়। তাই সারা বছর এই সৌন্দর্য উপভোগ করার সৌভাগ্য হয়। তবে আপনি যদি আপনি মেঘ ভালোবাসেন তাহলে জুন থেকে নভেম্বর মাস হতে পারে উৎকৃষ্ট সময় সাজেক বেড়ানোর। কারণ এই সময়টাতে সাজেকে মেঘ বেশি দেখা যায়। পাহার মেঘের সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য এবং এদের  লুকোচুরি দেখার জন্য এই সময়টি উৎকৃষ্ট সময়। 

সাজেকে যেভাবে যাবেন

সাজেক যাওয়ার সুবিধাজন রাস্তা  হচ্ছে খাগড়াছড়ি হয়ে সাজেকে যাওয়া। যদিও সাজেক রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত। আপনি যে পথ দিয়ে যান না কেন সাজেকে যাওয়ার জন্য আপনাকে প্রথমে খাগড়াছড়ি যেতে হবে। খাগড়াছড়ি থেকে দীঘিমালা উপজেলা হয়ে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূর সাজেকে যেতে পারবেন। ঢাকার যেকোনো জায়গা থেকে আপনি সাজেক যাওয়ার বাস পাবেন। গাবতলি, সায়েদাবাদ, ফকিরাপুল, কল্যানপুর, শ্যামলী, আব্দুল্লাহপুর থেকে সাজেকে যাওয়ার বাস পাওয়া যায়৷ সৌদিয়া, সেন্টমার্টিন সহ বিভিন্ন ধরনের এসি নন এসি বাস যায়। নন এসি বাস ৭০০ থেকে ৯০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যায় এবং এসি বাস এর ক্ষেত্রে ১০০০ থেকে ১৫০০ এর মধ্যে বাস পাওয়া যায়। তবে শান্তি পরিবহন এর বাস সরাসরি দিঘিনালা যায়।  ঢাকা থেকে খাগড়াছড়ি যেতে সময় লাগে সাত থেকে আট ঘন্টা। রাতের বাসে উঠলে সকালে বা ভোরের মধ্যে পৌছানো যায়। খাগড়াছড়ি থেকে বান্দরবান যাওয়ার জন্য শাপলা চত্তর থেকে  চান্দের গাড়ি বেছে নিতে পারেন। যদি আপনি ছুটির দিনে ঘুড়তে যেতে চান তাহলে আগেই টিকেট করবেন। কারন ছুটির দিনে  টিকেট পাওয়া যায়না। যদি সাজেক নিজের মত করে পেতে চান তাহলে ছুটির দিনে না যেয়ে অন্যান্য সাধারন দিনে গেলে বেশি ইঞ্জয় করতে পারেন। ছুটির দিনে সাজেকে অনেক ভীড় হয় তাই নিজের মত ইঞ্জয় করা যায়না।

চান্দের গাড়ির ভাড়া

খাগড়াছড়ি থেকে সাজেক চান্দের গাড়িতে করে যেতে ভাড়া নির্ভর করে আপনি কতদিন থাকবেন তার উপর৷ যদি আপনি দিনে যেয়ে দিনেই ফিরে আসেন তাহলে ভাড়া পরবে ৫৪০০ টাকা। একদিন থাকলে ভাড়া পরবে ৭১০০ টাকা। একটি গাড়িতে করে বার থেকে পনের জন করে যাওয়া যায়। যদি অল্প লোক হন তাহলে বাইরের লোকের সাথে শেয়ার করে যেতে পারেন। চান্দের গাড়ি ছাড়াও সিএনজি তে করে সাজেক যাওয়া যায়। সিএনজি ভাড়া চার থেকে পাচ হাজার টাকা লাগবে৷ যদি আপনি একা হন বা অল্প মানুষ হন তাহলে সিএনজি তে করে না যাওয়াই ভাল। কারন পাহাড়ি রাস্তা অনেক আঁকাবাঁকা হয়। আর ডাকাতেরও আক্রমন হতে পারে। সেক্ষেত্রে কেন্দ্রিয় জীপ সমিতির সাহায্য নিলে তারা যাওয়ার জন্য চান্দের গাড়ির ব্যবস্থা করে দেন। যদি চান্দের গাড়ি সিএনজি কোনোটাই না পান তাহলে খাগড়াছড়ি থেকে দীঘিনালা যেতে পারেন। দিঘীনালা থেকে সাজেকের দূরত্ব পনের কিলোমিটারে। সেখান থেকে মাত্র পয়তাল্লিশ টাকা ভাড়া।

সাজেকে থাকার জায়গা

সাজেকে থাকার জন্য অনেক রিসোর্ট আছে। মান অনুযায়ী ৬০০ থেকে ১৪০০০ টাকার মধ্যে রিসোর্ট পাবেন। আর যদি বাজেট কম থাকে তাহলে উপজাতিদের ঘরে থাকতে পারবেন। 

ঝুলন্ত ব্রিজ

ঝুলন্ত ব্রিজ চট্রগ্রাম শহর থেকে ৭৭ কিমি দূরে এবং রাঙ্গামাটি থেকে ৫ কিমি দূরে অবস্থিত। রাঙ্গামাটির ঝুলন্ত সেতু দেশের সেতু  গুলোর মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর সেতু।  রাঙ্গামাটির ঝুলন্ত সেতু দেখার জন্য প্রতিবছর হাজার হাজার পর্যটক আসেন। ঝুলন্ত সেতু ৩৩৫ ফুট দীর্ঘ এবং ৮ ফুট প্রশস্ত। ১৯৮৬ সালে ঝুলন্ত সেতু নির্মান করা হয়৷ ঝুলন্ত সেতুর জন্য রাঙ্গামাটিকে ‘সিম্বল অফ রাঙ্গামাটি’ বলা হয়।  ঝুলন্ত ব্রিজে প্রবেশ ফি ২০ টাকা।

কিভাবে যাবেন

ঝুলন্ত সেতু দেখার জন্য আপনাকে ঢাকা থেকে রাঙ্গামাটি যেতে হবে৷ ঢাকা থেকে রাঙ্গামাটির বাস পাওয়া যায়। 

রাজবন বিহার

পর্যটকদের কাছে সৌন্দর্য উপভোগ করার মত সবচেয়ে জনপ্রিয় স্থান হচ্ছে রাজবনবিহার। চাকমারা মন্দিরকে কিয়াং বলে। এটি বাংলাদেশের সবথেকে বড় বৌদ্ধ বিহার গুলোর মধ্যে একটি। এই বৌদ্ধ বিহারটি ৩৩ দশমিক ৫ একর জায়গার মধ্যে অবস্থিত৷ এই বিহারে রয়েছে হাসপাতাল, ভিক্ষুকদের ভাবনার স্থান, বেইনঘর, তাবতিংশ স্বর্গ এবং বিশ্রামাগার। 

কাপ্তাই লেক

কাপ্তাইলেককে বলা হয় দক্ষিন এশিয়ার সর্ব বৃহৎ লেক। কাপ্তাই উপজেলার সৌন্দর্য দেখে বিমোহিত হন এখানে বেড়াতে আসা পর্যটকরা। পাহাড়, লেক,  চোখজুরানো জলরাশি দেখে জুরিয়ে যায় চোখ। সবুজ গাছ, পাহাড়ি আঁকাবাঁকা রাস্তা, ঝর্ণা আর স্বচ্ছ জল দেখতে চাইলে অবশ্যই আপনাকে কাপ্তাই লেক ঘুরে আসা উচিৎ। কাপ্তাই লেকে গেলে দেখবেন লেকের চারপাশে ছোট ছোট দ্বিপ,পাখি আর জলের পাশে বাস করা মানুষের জীবনযাত্রা আপনাকে বিমোহিত করে তুলবে৷ 

কি দেখবেন কাপ্তাই লেকে

যারা জলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে ভালবাসেন তারা কাপ্তাই লেক দেখার জন্য বোট ভাড়া নিতে পারেন। ১৫০০ থেকে ২০০০ হাজার টাকার মধ্যে বোট ভাড়ায় পাবেন। যদি পাখির চোখে লেকের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চান তাহলে প্যারাডাইস পিকনিক স্পট এর পাহাড় থেকে লেকের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন। এখানকার সব থেকে সুন্দর ট্যুরিস্ট স্পট গুলো হলো চাকমা গ্রাম,ঝুলন্ত ব্রিজ, শুভলং ঝর্ণা, চাংফাং রেষ্টুরেন্ট, জুম পাহাড় এবং ছোট ঝর্ণা। এছাড়াও জমিদার বাড়ি এবং পলওয়েল পার্ক রয়েছে। এছাড়াও এখানে রয়েছে শুভলং বাজার নামে একটি বাজার। এখানে সেনাবাহিনী পরিচালিত একটি ক্যান্টিন রয়েছে। বাজারে উপজাতিদের বানানো চমৎকার পোশাক এবং ব্যাগ কিনতে পারবেন স্বস্তায়। 

কাপ্তাই লেক কিভাবে যাবেন

কাপ্তাই লেক যাওয়ার জন্য ঢাকার যে কোনো বাস কাউন্টার থেকে আপনাকে সরাসরি কাপ্তাই এর বাস পাওয়া যায়। সেখানে থেকে সিএনজি তে করে লেকে যেতে পারবেন। 

কি খাবেন

কাপ্তাইলেকে ছোটবড় অনেক রেষ্টুরেন্ট রয়েছে। যেমন বেরাইন্যে লেক শোর ক্যাফে,জুম রেস্তরা, প্যারাডাইস ক্যাফে,ভাসমান রেষ্টুরেন্ট ইত্যাদি। 

কোথায় থাকবেন

কাপ্তাইয়ে রাত্রি যাপনের জন্য ভাল মানের হোটেল মোটেল এখনো গড়ে ওঠেনি৷ যদি রাত কাটানোর ইচ্ছে থাকে তাহলে আগেই কাপ্তাইয়ের সরকারী রেষ্ট হাইজ কতৃপক্ষের সাথে কথা বলে রুম বুক করতে পারেন। এছাড়াও ছোটখাটো কিছু হোটেল পাবেন রাত্রি যাপনের জন্য। 

শুভলং ঝর্ণা 

শুভলং ঝর্ণা রাঙ্গামাটি থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে শুভলং বাজারে অবস্থিত। শুভলং ঝর্ণার পানি প্রায় ১২৫ কিলোমিটার উঁচু থেকে নিচে  আছড়ে পড়ে। ঝর্ণায় যাওয়ার সময়  পাহাড়ি রাস্তার আঁকাবাঁকা পথ, সবুজ বন আপনি  মুগ্ধ করে তুলবে। আপনার মনে হতে পারে আপনি  থাইল্যান্ডে চলে এসেছেন। 

শুভলং ঝর্ণার চমৎকার দৃশ্য যে কাউকে বিমোহিত করে দিতে পারে। যখন ঝর্ণার পানি পাথরে পথে আছড়ে পড়ে তখন সে দৃশ্য নির্দ্বিধায় জীবনের চমৎকার একটি দৃশ্য হয়ে মানসপটে চিত্র হয়ে থাকবে। ঝর্ণার চমৎকার দৃশ্য শুধু দেখে কারোই মন ভরেনা। ভালভাবে উপভোগ করতে চাইলে ঝর্ণার পানিতে গোসল করা উচিৎ। তাই শরীরকে প্রশান্তি দেয়ার জন্য ঝর্ণার পানিতে গোসল করে নিতে পারেন। শুভলং ঝর্ণা থেকে বেশি দূরে নয় অল্প কাছেই দেখতে পাবেন টি আন্ড টি পাহাড়। পাহাড়ের চুড়ায় গেলে দেখতে পাবেন সেনা ক্যাম্প।  পাহাড়ে ওঠার জন্য পাবেন চমৎকার সিড়ি। যখন পাহাড়ের চুড়ায় উঠবেন তখন আপনার মনে হবে পুরো রাঙ্গামাটি জেলা কাপ্তাই লেকের পানির উপরে ভেসে আছে বুঝি।

কিভাবে যাবেন

শুভলং ঝর্ণা যাওয়ার জন্য রাঙ্গামাটির রিজার্ভ বাজার থেকে সারাদিন ঘোরার জন্য নৌকা বা বোট ভাড়া করে নিতে পারেন। নৌকা সারাদিনের জন্য ভড়া করলে সারাদিন অনেক জায়গায় ঘুরতে পারবেন। ১০০০ টাকার মধ্যে নৌকা ভাড়া পেয়ে যাবেন। একটা নৌকায় একসাথে দশ পনের জন অনায়াসে যাওয়া যায়। 

হ্যাপি আইল্যান্ড 

হ্যাপি আইল্যান্ড রাঙ্গামাটি জেলার ভেদভেদি নামক একটি জায়গার কাপ্তাই লেকের ঠিক কোলের কাছেই হ্যাপি আইল্যান্ড। স্নিগ্ধ সবুজ, বন, আঁকাবাকা রাস্তা সবই আশ্চর্য সুন্দর। আপনি যতই দেখবেন ততই আপনার মুগশতা বেড়ে যাবে। সেনাবাহিনীরা ২০১৮ সালের ২৩ এ এপ্রিল হ্যাপি আইল্যান্ড উদ্ভোধন করা হয়।  প্রায় ২৫ একর জায়গার মধ্যে মাছের মত আকৃতির ব্যতিক্রমী এই লেক নির্মান করা হয়। 

হিল তাজ রিসোর্ট

হিল তাজ রিসোর্ট রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই লেকের

ভিতরে গড়ে ওঠা একটি রিসোর্ট। আপনার হাতে যদি অনেক সময় থাকে তাহলে সারাদিনের জন্য হিল তাজ রিসোর্টে যেতে পারেন। এখানে বেড়াতে গেলে অনেক রাইড পাবেন আর পাবেন সুইমিংপুল।  হিল তজ রেষ্টুরেন্টে অনেক ধরনের দেশি সুস্বাদু খাবার পাবেন। এই রিসোর্টের লেকে ঘুড়ে বেড়াতে বেড়াতে দেখতে পারবেন চমৎকার সব জায়গা।

এই রিসোর্ট এর নিজস্ব ট্যুর প্যাকেজ রয়েছে। বাজেট অমুযায়ী পছন্দমত প্যাকেজ বেছে নিয়ে ঘুরতে পারবেন। যারা মাছ ধরতে পছন্দ করেন তারা রিসোর্টে মাছ ধরতে পারবেন চাইলে। তবে এ জন্য আপনাকে টাকা দিতে হবে। 

রাইন্যা টুগুন ইকো রিসোর্ট 

রাইন্যা টুগুন ইকো রিসোর্ট বানানো হয়েছে ইকো সিষ্টেম এর কথা বিবেচনা করে। এটি একটি প্রাইভেট রিসোর্ট।  রাইন্যা টুগুন ইকো রিসোর্ট প্রায় ২৫ বিঘা জায়গার মধ্যে অবস্থিত। রিসোর্ট এর চারদিকে রয়েছে সবুজ গাছ, ফুল ফলের গাছ এবং ঔষধি নানান প্রজাতির গাছ। অনেক সুক্ষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে এই রিসোর্ট টি। বিকেলে যখন সূর্য অস্ত যায় তখন সূর্যের ধীরে ধীরে মেঘের আড়ালে লুকিয়ে যাওয়া দেখতে সত্যি চমৎকার লাগে। যদি আপনি নিরিবিলি পরিবেশ পছন্দ করেন তাহলে রাইন্যা টুগুন রিসোর্ট আপনার সবচেয়ে পছন্দের জায়গা হতে পারে। 

রাইন্যা টুগুন রিসোর্ট কে দেখলে মনে হতে পারে এটা বুঝি চট্রপগ্রাম। এখানে ছোট বড় অনেক টিলা রয়েছে 

যা দেখার জন্য ছুটে আসেন ভ্রমনপিয়াসুরা। কাপ্তাইবাধের কামিলাছড়ি গ্রামের মানুষের জীবনযাত্রা এনে দিতে পারে আপনার মনে দারুন ভাবনা। এখানে বেড়াতে আসলে আপনার মন কখনো খারাপ হবেনা। রিসোর্ট এর চমৎকার পরিবেশ দেশি খাবার সবকিছুই আপনার মন ভাল করে দিবে।আপনার মনে এনে দিবে প্রশান্তি। 

যেভাবে যাবেন রাইন্যা টুগুন রিসোর্ট 

রাইন্যা টুগুন রিসোর্ট যাওয়ার জন্য প্রথমেই রাঙ্গামাটি যেতে হবে। তারপর সেখান থেকে আপনি দুই ভাবে রাইন্যা টুগুন রিসোর্টে যেতে পারবেন। প্রথম উপায়ট হলো সিএনজি ভাড়া করে এবং অন্যটি হচ্ছে লঞ্চে করে। রাস্তা দিয়ে যাওয়ার চেয়ে লঞ্চে করে গেলেই বেশি ইঞ্জয় করতে পারবেন। পানির অপরুপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে যেতে পারবেন রাইন্যা টুগুন রিসোর্টে। 

শেষ কথা 

আপনি যদি স্বচ্ছ পানির বুকে প্রকৃতিকে অনুভব করতে চান তাহলে রাঙ্গামাটি থেকে ঘুরে আসুন। চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে এই অপূর্ব সুন্দর রাঙ্গামাটি জেলা অবস্থিত। ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ছোট বড় লেক পাহাড় ঝর্ণা সব মিলিয়ে যেন  প্রকৃতি আপন হাতে সেজেছে এখানে। আপনার মনে হতে পারে ছোটবেলা রূপকথার বইয়ে পড়া স্বপ্নের দেশ রাঙ্গামাটি। তাই সময় সুযোগ করে ঘুরে আসুন মেঘের এই দেশ থেকে। 

Read more : গাজীপুরের রিসোর্ট সমূহ 

Related Post

খুশির স্ট্যাটাস

200+ স্টাইলিশ খুশির স্ট্যাটাস | হাসি নিয়ে ক্যাপশন

খুশির স্ট্যাটাস | হাসি নিয়ে ক্যাপশন জীবনের সুন্দর খুশির মুহূর্ত আমরা সবাই বাঁধাই করে রাখতে চাই। আর এই খুশির মুহূর্তকে ধরে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায়

Read More »

স্টাইলিশ ভালোবাসার ছন্দ | রোমান্টিক ছন্দ | Love Status Bangla

❤❤ভালোবাসার ছন্দ | ভালোবাসার ছন্দ রোমান্টিক | ভালোবাসার ছন্দ স্ট্যাটাস❤❤ ভালোবাসা হলো এক অন্যরকম অনুভূতির নাম, যা শুধুমাত্র কাউকে ভালবাসলেই অনুভব করা যায়। আমরা বিভিন্নভাবে

Read More »
মন খারাপের স্ট্যাটাস

মন খারাপের স্ট্যাটাস, উক্তি, ছন্দ, ক্যাপশন, কিছু কথা ও লেখা

মন খারাপের স্ট্যাটাস মন খারাপ – এই কষ্টের অনুভূতি কার না হয়? সবারই কখনো না কখনো সবারই মন খারাপ হয়। জীবনের ছোটোখাটো অঘটন থেকে শুরু

Read More »
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের উক্তি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের উক্তি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের উক্তি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বলা হয় বিশ্বকবি। তিনি ছিলেন একজন বিচক্ষণ ও গুনী লেখক। প্রেম চিরন্তন এবং সত্য। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাঙালীর মনে প্রেমের

Read More »
ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা

ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা | Breakup Status Bangla

ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা আপনি কি আপনার প্রিয়জনের সাথে সম্পর্ক থেকে বের হয়ে এসেছেন? আর সেটা আপনি কোন ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা মাধ্যমে বোঝাতে চাচ্ছেন। তাহলে আপনি

Read More »

Leave a Comment

Table of Contents