Dreamy Media BD

মহাস্থানগড়ের ইতিহাস ও দর্শনীয় স্থান

মহাস্থান গড়

মহাস্থানগড় সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি আবার অনেকে জানি না। কেউ কেউ হয়তো স্ব-শরীরে উপস্থিত হয়ে এর অবস্থান এবং ইতিহাস সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেছেন আবার অনেকেই হয়তো মহাস্থান গড়ের ইতিহাস জানতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন কিন্তু নির্ভরযোগ্য তথ্য পাচ্ছেন না।

তাই আমি আপনাদের সবার কথা বিবেচনা করে এবং আগামী প্রজন্মের কাছে মহাস্থানগড়ের ইতিহাস ও দর্শনীয় স্থান নিয়ে আজকের আর্টিকেলটি সাজিয়েছি নিভর্যোগ্য তথ্য দিয়ে। জানতে হলে চোখ রাখুন আর্টিকেল জুড়ে ।

মহাস্থানগড় কোথায় অবস্থিত?

মহাস্থানগড় বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দূরে শিবগন্জ উপজেলায় করতোয়া নদীর পাশে অবস্থিত । এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিলো, ইতিহাসে যার নাম, পুন্ড্রবর্ধন বা পন্ড্রনগর। ঢাকা থেকে যমুনা সেতুর উপর দিয়ে আসতে সময় লাগে প্রায় ৪ ঘন্টা। এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন পর্যটন কেন্দ্রের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে। এখানে রয়েছে অনেক দর্শনীয় স্থান এবং প্রাচীন ঐতিহ্য।

মহাস্থানগড়ের ইতিহাস

বাংলাদেশ নানা রকম ইতিহাসের চিত্র বহন করে। তবে কালের বিবর্তনে আজ সেসব ইতিহাস প্রায় বিলুপ্ত হওয়ার পথে। বাংলার ইতিহাস কে সতেজ রাখার জন্য বাংলার বিভিন্ন স্থানের ঐতিহ্য ও ইতিহাস আমাদের পরবর্তী প্রজন্মে পৌঁছে দেওয়া আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব। এর মধ্যে একটি হলো মহাস্থান গড়, যার ইতিহাস পড়লে প্রাচীন সভ্যতা ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানা যায়।

যাইহোক, এবার আসি আসল কথায়। বিভিন্ন যুগের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন রয়েছে এই প্রাচীন নগরী মহাস্থানগড়ে এবং বহু শতাব্দী পর্যন্ত এ নগরী শাসন করেন হিন্দু ও অন্যান্য ধর্মের রাজারা।
প্রায় আড়াই হাজার বছর পূর্বে এখানে এক জনপদ গড়ে উঠেছিল এবং প্রত্নতাত্ত্বিক ভাবেই তার প্রমান পাওয়া যায়।  ২০১৬ সালে এটি সার্কের সাংস্কৃতিক রাজনীতি হিসেবে ঘোষণা পায়। তৎকালীন সময়ে বৌদ্ধ শিক্ষার জন্য বেশ প্রসিদ্ধ ছিলো মহাস্থানগড় এবং সেই সুবাদে চীন ও তিব্বত থেকে বিভিন্ন জ্ঞান পিপাসুরা আসতেন জ্ঞান অর্জনের জন্য, আবার এ শিক্ষা প্রসারিত করার জন্য তারা বেড়িয়ে পড়তেন দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে।

ঠিক এই সময়ে ভারতের শ্রীক্ষেত্র থেকে একজন ব্রাহ্মণ আসেন যার নাম ছিলো রাজা পরশুরাম। তখনকার সময়ে মহাস্থানের রাজা নলের সাথে তার ভাই নীলের বিরোধ সবসময় লেগেই থাকত এবং সেই সুযোগে পরশুরাম তখন মহাস্থানের রাজা হয়ে উঠেন।

এরপর মহাস্থানে ইসলাম ধর্ম প্রচারের জন্য ফকির বেশি এক দরবেশের আগমন ঘটে যার সাথে ছিলো তার কিছু শীষ্য। এই দরবেশের নাম ছিলো হযরত শাহ্ সুলতান মাহমুদ বলখী ( রঃ)। তিনি এশিয়া মহাদেশীয় এক সম্রাট ছিলেন। তার বাবা মারা যাওয়ার পর তিনি সম্রাট হন। কিন্তু ইসলাম ধর্ম প্রচার ও প্রসারের উদ্দেশ্যে তিনি তার সাম্রাজ্য ত্যাগ করে কয়েকজন সঙ্গী নিয়ে মহাস্থান গড়ে আগমন করেন।

মহাস্থানগড়ে প্রবেশ করেই প্রথমে তিনি রাজা পরশুরামের সেনাপ্রধান ও মন্ত্রীদের সাথে কিছু সাধারণ মানুষকে ইসলাম ধর্মের দাওয়াত দেন এবং তারা ইসলাম ধর্ম গ্রহন ও করেন। এই খবর রাজা পরশুরামের কানে গেলে তিনি প্রচন্ড ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং ধর্ম প্রচারক শাহ সুলতানের সাথে বিরোধ হয়।

এতে পরশুরাম পরাজিত এবং নিহত হন অন্যদিকে শাহ সুলতান জয়ী হয়ে ইসলাম ধর্মকে প্রসারিত করেন পরবর্তীতে অন্য রাজার সঙ্গে বিরোধের সময় শাহ সুলতান ও তার ৭ জন শীষ্য শহীদ হন। মহাস্থানগড়ের শাহ সুলতানের কবর আজও অনেক আলোক বাতি দ্বারা সজ্জিত আছে এবং স্থানীয় লোকেরা তার কবরকে প্রান ভরে শ্রদ্ধা করে।

আরো পড়ুন – ছোট সোনা মসজিদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য

মহাস্থানগড়ের দর্শনীয় স্থান

মহাস্থানগড় নামটির সাথে আমরা অনেকেই পরিচিত, কেননা এটি বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও অনেক দর্শনীয় স্থান নিয়ে বেষ্টিত। এখানকার দর্শনীয় স্থান গুলো সম্পর্কে রয়েছে আশ্চর্যজনক কিছু রহস্য। যদিও প্রতিটি স্থান নিয়ে আলোচনা করা সময়সাপেক্ষ বিষয়, তবুও এর মধ্যে তিনটি বিশেষ দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে আমি সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেওয়ার চেষ্টা করছি। সেগুলোর হলোঃ

  • মাজার শরীফ
  • জাদুঘর
  • বেহুলার বাসর ঘর

মহাস্থান গড়ের ইতিহাস ও দর্শনীয় স্থান 

মহাস্থানগড়ের মাজার শরীফ

অনেক ঐতিহাসিক গণের মতে, মহাস্থান গড়ের মাজার শরীফটি হলো হজরত শাহ্ সুলতান মাহমুদ বলখী (রঃ) -এর,  যিনি ১৪শ শতাব্দীর একজন ইসলাম ধর্ম প্রচারক ছিলেন । যার কথা ইতোমধ্যে আমি বলেছি। এই মাজারটি মহাস্থানগড় বাস স্ট্যান্ড থেকে সামান্য পশ্চিমে।

কথিত আছে যে, তিনি যখন মহাস্থান গড়ে ইসলাম ধর্ম প্রচারের জন্য আসেন, তখন তিনি মাছ আকৃতির একটা নৌকা করে সুদীর্ঘ পথ পাড় করে বরেন্দ্র অঞ্চলে আসেন। মাছ আকৃতির এই নৌকা করে আসার জন্য তার নাম দেওয়া হয় মাহি সাওয়ার। (যার অর্থ মাছের পিঠে করে আগমনকারী)। বাবার মৃত্যুর পর তিনি বল্লখ রাজ্যের রাজা হন বিধায় তাকে শাহ সুলতান বলখী ও বলা হয়।

১৬৮০ খ্রিষ্টাব্দে তিনজন  এ মাজার রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পান, যারা হলেন  সৈয়দ রেজা, সৈয়দ তাহির, সৈয়দ আব্দুর এবং তিন জন ছিলে সহোদর।
সেই তখন থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত ধর্মপ্রান মুসলিমরা এই মাজারকে ভক্তি করে আসছেন। এবং তাদের বিভিন্ন সমস্যার জন্য এখানে গিয়ে মানত করে আসেন।

শুধু তাই নয়, স্থানীয় লোকদের বিশ্বাস কোনো বাচ্চা জন্মের পর তার প্রথম মুখে ভাত দেওয়ার সময় এই মাজারে গিয়ে দেওয়ার হলে এতে বাচ্চার মঙ্গল হয়। যদিও ইসলাম ধর্মে এমন মতবাদের কোনো ভিত্তি নেই। তবুও প্রতিদিন হাজার হাজার মুসল্লীরা এই মাজারে এসে ভীড় জমান শাহ্ সুলতানকে শ্রদ্ধা জানাতে।

মহাস্থানগড়ের জাদুঘর

মহাস্থানগড় কয়েক দফায় খনন করা হয় এবং এর ফলে হাজার বছরের পুরনো বিভিন্ন রাজবংশের সামগ্রী পাওয়া সম্ভব হয়েছে আর সেগুলো মহাস্থানের স্থানীয় এই জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে।

এই সামগ্রী গুলোর মধ্যে রয়েছে মৌয বংশ, গুপ্ত বংশ, পাল বংশ, সেন বংশসহ আরো অনেক রাজবংশের স্মৃতিচিহ্নত মূল্যবান সব ধাতব পদার্থ যেমন, সোনা, রুপা, লোহা, পাথর, কাসা ও ব্রোঞ্জ সহ আরো অনেক কিছু। এছাড়াও রয়েছে পোড়ামাটির মূর্তি, কালো পাথরের মূর্তি, বেলে পাথরের মূর্তি, খোদায় করা ইট, বিভিন্ন শিলালিপি, আত্মরক্ষার জন্য ধারালো অস্ত্র ও রাজ বংশের ব্যবহার করা নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্রসহ প্রাচীনকালের নানান ধরনের অলংকার।

শুরুর দিকে এ জাদুঘরের আয়তন ৩ একর হলেও বর্তমানে এর আয়তন প্রসারিত হয়ে দাড়িয়েছে ১০ একর।
বর্তমানে মহাস্থান গড়ের এই জাদুঘর অনেক জনপ্রিয় একটি দর্শনীয় স্থান। প্রাচীন এসব প্রত্নতত্ত্ব বিষয়ে জ্ঞান আহরোণ করতে অসংখ্য দর্শনার্থী এখানে ভিড় জমান।

বেহুলার লক্ষীন্দরের বাসর ঘর

মহাস্থান গড়ের বেহুলার বাসর ঘর কে কেন্দ্র করে বহু মানুষের ভিতরে রয়েছে অনেক জল্পনা কল্পনা। তবে আসল রহস্য খুব কম সংখ্যক মানুষই জানেন। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক বেহুলা ও লক্ষীন্দরের বাসর ঘরের কাহিনি।
বেহুলা লক্ষীন্দরের বাসর ঘরের আরেক নাম গোকুল মেধ। এটি গোকুল গ্রামে খননকৃত একটি প্রত্নস্থল এবং বগুড়া সদর থানা থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

লক্ষীন্দরের বাবা চাঁদ সওদাগর তার বন্ধু সাহার কন্যা বেহুলাকে ছেলে লক্ষীন্দরের বউ করে ঘরে আনেন। বেহুলার শ্বশুর চাঁদ সওদাগর শিবের পূজা করতেন কিন্তু শিবের কন্যা মনসা ছিলেন সর্প দেবী তবে তাকে কেউ পূজা করত না।

একদিন মনসা তার বাবার কাছে গিয়ে, মানুষের কাছে পূজা পাওয়ার জন্য আকুতি জানালেন তার বাবা শিব বলেন, যদি আমার একনিষ্ঠ কোনো ভক্ত  (যে শুধুমাত্র শিব পূজা করে) তোমার সর্ব প্রথম পূজা করে তাহলেই তুমি মানুষের পূজা পাবে তাছাড়া সম্ভব নয়।

তখন মনসা বেহুলার শ্বশুর চাঁদ সওদাগরের পূজা পাওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালায় কিন্তু চাঁদ সওদাগর মনসার পূজা করতে নারাজ হয়। এতে মনসা অনেক ক্ষিপ্ত হয় এবং চাঁদ সওদাগরের সব ছেলের জীবন কেড়ে নেওয়ার হুমকি দেয়, তবুও চাঁদ সওদাগর মনসাকে পূজা করতে রাজি হয় নি।

মনসা একে একে চাঁদ সওদাগরের সব ছেলের জীবন নিয়ে নেয় এবং বাকি ছিলো লক্ষীন্দর। তাই চাঁদ সওদাগর তার শেষ ছেলের জীবন বাঁচাতে, লক্ষীন্দরের বিয়ের সময় অতিরিক্ত সর্তকতা স্বরুপ লোহা দিয়ে লক্ষীন্দরের বাসরঘর নির্মান করার আদেশ করলেন যাতে কোনো সাপ সেখানে প্রবেশ করতে না পারে।

কিন্তু এতে কোনো লাভ হলো না, অবশেষে মনসার একটি সাপ লক্ষীন্দরের বাসর ঘরে প্রবেশ করে এবং লক্ষীন্দরকে হত্যা করে।এরপর লক্ষীন্দরের প্রান বাঁচানোর জন্য বেহুলা তার শ্বশুরকে মনসার পূজা করতে অনেক আকুতি মিনতি করলে চাঁদ সওদাগর মনসার পূজা করতে রাজি হয় এবং লক্ষীন্দর প্রান ফিরে পায়।

বেহুলা লক্ষীন্দরের এই বাসর ঘরটি ধ্বংস অবশেষ ১৭২ টি বন্ধ প্রকোষ্ঠের সমন্বয়ে ১৩ মিটার উঁচু একটি মঞ্চ এবং এটি ১৯৩৪-৩৬ সালে উন্মোচিত হয়। সেন বংশের শাসনকালে এখানে একটি মন্দির নির্মান হয়।বর্তমানে বেহুলা লক্ষীন্দরের এই বাসর ঘরকে কেন্দ্র করে সারা বাংলাদেশ থেকে অসংখ্য মানুষ এখানে আসেন।

এই বিশেষ তিনটি স্থান ছাড়াও মহাস্থান গড়ে  আরো অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে ইতিহাসের পাতায় যা আজও বেশ জমকালো। সেগুলো হলোঃ

  • শীলা দেবীর ঘাট
  • জিউৎকুন্ড কুপ
  • গোবিন্দ ভিটা
  • ভাসু বিহার
  • খোদার পাথর ভিটা
  • মানকালীর ঢিবি
  • পরশুরামের প্রাসাদ
  • বৈরাগীর ভিটা
  • কালীদহ সাগর
  • ভিমের জঙ্গল
  • মঙ্গলকোট সহ আরো অনেক স্থান

শ্রদ্ধেয় দর্শক/শ্রোতা আমার আর্টিকেলের মাধ্যমে যদি আপনার সামান্যতম হলেও বাংলার ইতিহাস সম্পর্কে জানতে ইচ্ছে জাগে অথবা বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে জানতে পারেন তাহলেই আমার এ লেখাটি সার্থক। আমি সবসময় আপনাদের মাঝে নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রদানের চেষ্টা করি যাতে এ তথ্য আপনার এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ফলশ্রুত হয়।

আশা করি মহাস্থানগড়ের ইতিহাস ও দর্শনীয় স্থান  সম্পর্কে সামান্য হলেও ধারনা পেয়েছেন।
যদি আপনার অন্য কোনো স্থানের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানার থাকে তাহলে কমেন্ট বক্সে লিখে দিতে পারেন। পরবর্তীতে আপনার জ্ঞাতার্থে সেই স্থান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে নতুন কোনো আর্টিকেল দেওয়ার চেষ্টা করব।

 

 

Related Post

খুশির স্ট্যাটাস

200+ স্টাইলিশ খুশির স্ট্যাটাস | হাসি নিয়ে ক্যাপশন

খুশির স্ট্যাটাস | হাসি নিয়ে ক্যাপশন জীবনের সুন্দর খুশির মুহূর্ত আমরা সবাই বাঁধাই করে রাখতে চাই। আর এই খুশির মুহূর্তকে ধরে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায়

Read More »
❤love status bangla | ভালোবাসার ছন্দ | রোমান্টিক ছন্দ | প্রেম ছন্দ স্ট্যাটাস❤

স্টাইলিশ ভালোবাসার ছন্দ | রোমান্টিক ছন্দ | Love Status Bangla

❤❤ভালোবাসার ছন্দ | ভালোবাসার ছন্দ রোমান্টিক | ভালোবাসার ছন্দ স্ট্যাটাস❤❤ ভালোবাসা হলো এক অন্যরকম অনুভূতির নাম, যা শুধুমাত্র কাউকে ভালবাসলেই অনুভব করা যায়। আমরা বিভিন্নভাবে

Read More »
মন খারাপের স্ট্যাটাস

মন খারাপের স্ট্যাটাস, উক্তি, ছন্দ, ক্যাপশন, কিছু কথা ও লেখা

মন খারাপের স্ট্যাটাস মন খারাপ – এই কষ্টের অনুভূতি কার না হয়? সবারই কখনো না কখনো সবারই মন খারাপ হয়। জীবনের ছোটোখাটো অঘটন থেকে শুরু

Read More »
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের উক্তি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের উক্তি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের উক্তি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বলা হয় বিশ্বকবি। তিনি ছিলেন একজন বিচক্ষণ ও গুনী লেখক। প্রেম চিরন্তন এবং সত্য। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাঙালীর মনে প্রেমের

Read More »
ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা

ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা | Breakup Status Bangla

ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা আপনি কি আপনার প্রিয়জনের সাথে সম্পর্ক থেকে বের হয়ে এসেছেন? আর সেটা আপনি কোন ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা মাধ্যমে বোঝাতে চাচ্ছেন। তাহলে আপনি

Read More »

Leave a Comment

Table of Contents