Dreamy Media BD

  বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট : যাওয়া ,থাকার সকল তথ্য

বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট

বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট বাংলাদেশের পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়া উপজেলায় অবস্থিত। (তেতুলিয়া উপজেলায় ১ নং বাংলাবান্ধা ইউনিয়নে অবস্থিত এই বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট) একে বাংলাদেশ জিরো পয়েন্ট বলা হয় । বাংলাবান্ধা বন্দরে অবস্থিত বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট।

এখানে আপনি বাস বা ট্রেন যেকোন কিছুতেই সহজেই যেতে পারবেন। ট্রেনে আপনি এসি বা নন এসি দুই ধরনের সুবিধা পাবেন। এখানে আপনি থাকার জন্য পাবেন অনেকগুলো আবাসিক হোটেল। কম খরচে উন্নত মানের যেকোন হোটেল সহজে আপনি পেয়ে যাবেন।

বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট প্রায় ১০ একর জমি জুড়ে নির্মিত হয়েছে । হিমালয়ের কোল ঘেঁষে মহানন্দা নদীর তীরে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্তবর্তী জায়গায় গড়ে উঠেছে এই বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট। বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে গেলে আপনি ভিন্ন রকম পরিবেশ অনুভব করতে পারবেন।

বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টের আকর্ষণীয় জায়গা সমূহ

বাংলাবান্ধার মূল আকর্ষণ হল কংক্রিট দিয়ে নির্মান করা বিশাল আকৃতির জিরো। সেলফি প্রেমীদের কাছে যা প্রধান আকর্ষণীয় বিষয়। ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষীদের আয়োজনে পতাকা উত্তোলন ও বিশেষ প্যারেড অনুষ্ঠান বেশ মনোমুগ্ধকর, যা ভারত পাকিস্তানের ওয়াগা সীমান্তের প্যারেডের কথা আপনাকে মনে করিয়ে দেবে। বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টের আশেপাশে অন্যান্য আকর্ষণীয় জায়গা হলো বিখ্যাত কাজির অগ্রানিক চা বাগান, মহারাজার দিঘী, পাথরের জাদুঘর, দেবাগঞ্জ সেতু, করতোয়া নদী।

আরো পড়ুন – বান্দরবান  এর দর্শনীয় স্থান সমূহ

বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট ভ্রমণের সঠিক সময়

এমনিতে আপনি সবসময়ই বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট ভ্রমণের ক্ষেত্রে যেতে পারেন, তবে শীতকালে ভ্রমণের ক্ষেত্রে যাওয়া বেশি উত্তম। শীতকালে রাস্তাঘাট অনেক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকে এবং যানবাহনের চলাফেরা অনেক সহজ হয়ে থাকে।

বর্ষার পর আসে শরৎ হেমন্ত এই সময়ে রাস্তাঘাট অনেক শুকনা এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকে। যেকোনো জায়গায় ভ্রমণে শরৎ হেমন্তর এই সময়টাকে নির্বাচন করা উচিত। শরৎ হেমন্ত এই সময়টা ইংরেজি মাসের আগস্ট থেকে নভেম্বর মাসে পড়ে। এই সময়টাই হচ্ছে ভ্রমণের ক্ষেত্রে সঠিক সময়। এই সময়টাতে মেঘ বৃষ্টি কম হয় তাই যেকোনো জায়গায় সহজেই যাওয়া যায় ভ্রমণের ক্ষেত্রে।

আপনি সারা বছরই ভ্রমণ করতে পারবেন। কিন্তু শীতের সময় ভ্রমণের জন্য বেশি সুবিধা পাওয়া যায়। ভ্রমণের ক্ষেত্রে সঠিক সময় নির্বাচন করা একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। সবাই চায় নিজের জীবনে একটু সুন্দর সময় কাটাতে ভ্রমণ হচ্ছে সেটার একটি মাধ্যম।

ভ্রমণের জন্য আপনি যদি সঠিক সময় বেছে নিতে পারেন, তাহলে আপনার আনন্দময় একটা সময় হবে। আপনার ভ্রমণের সময় হয়ে উঠবে আরো প্রফুল্লময়। আপনি সুন্দর একটা সময় কাটাতে পারবেন।

Banglabandha-zero-point
Banglabandha-zero-point

বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে  কিভাবে যাবেন

আপনি বাস ট্রেন ,সিএনজি বা যেকোনো রিজার্ভ যানবাহনে সহজেই যেতে পারেন বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে । অনেক বাস সরাসরি তেতুলিয়া যায়। তার মধ্যে হচ্ছে হানিফ ও শ্যামলী পরিবহন।

তাছাড়া আপনি পঞ্চগড় হয়েও তেতুলিয়া যেতে পারেন। ঢাকা থেকে পঞ্চগড়ের জন প্রতি নন এসি বাস ভাড়া হচ্ছে ৬৫০ থেকে ৭৫০ টাকা, এসি বাস এর ক্ষেত্রে জন প্রতি বাসের ভাড়া একটু বেশি ।

ঢাকা থেকে শ্যামলী ,গাবতলী বাস টার্মিনাল ও মিরপুর থেকে নাবিল পরিবহন ,হানিফ এন্টারপ্রাইজ, তানজিলা ট্রাভেল ইত্যাদি আরো অনেক বাস সরাসরি পঞ্চগড়ে যায়। আপনি খুবই সহজেই পঞ্চগড় থেকে তেতুলিয়া যেতে পারবেন। আপনি বাস ছাড়া ট্রেনে করেও সহজেই পঞ্চগড়ে যেতে পারেন । আপনি যদি ট্রেনে যেতে চান তাহলে আপনাকে ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে ট্রেনে করে যেতে হবে।

ট্রেনে যেতে চাইলে ঢাকার কমলাপুর থেকে পঞ্চগড় এক্সপ্রেস, একতা ও দ্রুত জান এক্সপ্রেস ট্রেন হয়ে আপনি পঞ্চগড়ে আসতে পারেন ।  কিন্তু বাসে যাওয়া আপনার জন্য বেশি উত্তম হবে কারণ বাস সরাসরি তেতুলিয়া যায়।

পঞ্চগড় থেকে আপনি সহজেই যেকোনো যানবাহনের মাধ্যমে তেতুলিয়া যেতে পারবেন। পঞ্চগড় থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত সারাদিনই অনেক বাস যাতায়াত করে । এখানে আপনি যেকোনো সময়ে বাস পেয়ে যাবেন। এখানে নিয়মিত সারাদিন বিরতিহীন লোকাল বাস চলাচল করে। লোকাল বাসে জনপ্রতি ভাড়া আবার খুবই কম।

এখানে বাসের জনপ্রতি ভাড়া  হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। তেতুলিয়া আসার পর আপনি যেকোন লোকাল গাড়ি, সিএনজি ,টমটম বা অটো করে বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট যেতে পারেন।

বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে কোথায় থাকবেন

বাংলাবান্ধা বন্দরের আশেপাশে তেমন রিসোর্ট ও হোটেল না থাকায় তেতুলিয়ায় আপনাকে অবস্থান করতে হবে। তেতুলিয়ায় আপনি থাকার জন্য অনেক জায়গা পেয়ে যাবেন । তেতুলিয়ায় কাজী ব্রাদার্স হোটেল ও সীমান্তের পার্লামেন্ট দুইটি বিখ্যাত আবাসিক হোটেল রয়েছে ।

এই হোটেলগুলোর ভেতরে কৃত্রিম স্থাপনা গুলি চোখে পড়ার মতো । তাছাড়া হোটেলের ভেতর ভ্রমণকারীর জন্য বিভিন্ন ধরনের আরামদায় ব্যবস্থা করা হয়েছে । হোটেলে দৃষ্টিনন্দন একটি সুইমিং পুল রয়েছে।

মূলত হোটেল কর্তৃপক্ষ দর্শনার্থীদের প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে আঙ্গিনা, হোটেল ভেতরের মিটিং ,প্রশিক্ষণ কিংবা বৈঠকের জন্য রয়েছে আলাদা স্থান রয়েছে। এই হোটেল গুলোতে নন এসি রুমের ভাড়া ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা এবং এসি সহ রুম ভাড়া ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকা ।এখানে মহানন্দা নদীর পাড়ে রয়েছে আরও হোটেল ।

সেখানে থাকতে হলে আপনাকে তেতুলিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে। এই হোটেল গুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেক উন্নতমানের এবং নিজস্ব ক্যাটারিং ব্যবস্থা থাকায় খাবার নিয়ে কোন দুশ্চিন্তা করতে হয় না । এখানে সব সময় আপনি খাবার পাবেন।মহানন্দা নদীর পাড়ে এ হোটেলের রুম ভাড়া হচ্ছে জনপ্রতি  ৪০০ টাকা।

বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে হোটেল বুকিং সংক্রান্ত পরামর্শ

হোটেল বুকিং এর ক্ষেত্রে আপনাকে আগে থেকেই কিছু চিন্তাভাবনা করে বুকিং করতে হবে। ছুটির দিনে বা কোন স্পেশাল দিনে হোটেলে অতিরিক্ত ভিড় হয়। আপনি যদি এমন কোন দিনে হোটেলে থাকতে চান, তাহলে আপনার হোটেল বুকিং আগে করে রাখতে হবে। অন্যথায় আপনি হোটেলে খালি রুম নাও পেতে পারেন।

ছুটির দিন বা স্পেশাল কোনদিন ব্যতীত আপনার অনেক আগে থেকেই হোটেল বুকিং করে রাখার কোন প্রয়োজন নেই। কারণ আপনি এখানে সব সময় সচরাচর অনেক হোটেল বা রিসোর্ট পাবেন ।

আপনি যদি একা যান তাহলে আপনি সহজেই খালি রুম পেয়ে যাবেন। কিন্তু আপনি যদি কোন গ্রুপ বা পরিবারের সাথে ভ্রমণে যান, তাহলে অবশ্যই আপনার আগে থেকেই রুম বুকিং করে রাখা প্রয়োজন বা রাখতে হবে।

আপনি কোন হোটেল বুকিং করার আগে সুবিধা ও চাহিদা যাচাই করে নিবেন । আপনি আপনার সকল সুবিধা এবং চাহিদা যে হোটেলে পাবেন, আপনার উচিত সেই হোটেল বুকিং করা। এমন রিমোট এলাকার কোন হোটেল বুকিং এর ক্ষেত্রে সবথেকে প্রয়োজনীয় বিষয় হচ্ছে হোটেলে খাবারের ব্যবস্থা থাকা। আপনি হোটেল বুকিং এর ক্ষেত্রে আগে দেখে নিবেন যে হোটেলে খাবারের ভালো ব্যবস্থা আছে কিনা?

যদি হোটেলের ক্যাটারিং ব্যবস্থা থাকে তাহলে আপনাকে খাবার নিয়ে কোন দুশ্চিন্তা করতে হবে না। আপনি সেখানে সহজেই সব ধরনের ভালো মানের খাবার পাবেন। আপনার যখন প্রয়োজন তখনই আপনি খাবার পাবেন।

আপনি যদি আপনার চাহিদা ও প্রয়োজন অনুযায়ী হোটেল বুকিং না করেন তাহলে আপনার থাকার ক্ষেত্রে অনেক অসুবিধার সম্মুখীন হতে। তাই নিজের চাহিদা ও প্রয়োজন অনুযায়ী হোটেল বুকিং করা অবশ্যই জরুরি।

বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে খাবার সংক্রান্ত পরামর্শ

বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে আপনি সবসময় খাবার না পেতেও পারেন। এখানে সচরাচর সব সময় খাবার রান্না করা থাকে না। আপনি এখানে খাওয়ার জন্য আগে থেকে খাবার অর্ডার করে রাখতে হবে। আপনি খাওয়ার এক থেকে দুই ঘণ্টা আগে খাবার অর্ডার করে দিবেন।

বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে আপনি যেখানে থাকবেন সেখানকার লোকদের বললে তারা খাবার ব্যবস্থা করে রাখবে। এখানে আপনি প্রয়োজনীয় সবকিছুই পাবেন। কিন্তু আপনি বাহিরের সচরাচর যে খরচে আপনার প্রয়োজনীয় খাবার বা জিনিসসমূহ পান তার থেকে এখানে সবকিছুর মূল্য পরিমাণে একটু বেশি হয়।

আপনি এখানে আসলে বাহির থেকে শুকনো কিছু খাবার এবং পানি আগে থেকেই নিয়ে আসতে পারেন। তাতে আপনি নিজে উপকৃত হবেন। এখানে আপনি সব ধরনের শুকনো খাবার পাবেন কিন্তু দাম একটু বেশি। এবং শুকনো খাবার চারা অন্যান্য খাবারের ক্ষেত্রে আপনাকে আগে অর্ডার করে দিতে হবে। অন্যথায় আপনি খাবার নাও পেতে পারেন।

এখানকার আশেপাশের হোটেল ও রিসোর্টে আবার আপনি সব ধরনের খাবার পাবেন। কারণ হোটেল ও রিসোর্টে নিজস্ব ক্যাটারিং ব্যবস্থা থাকে যার জন্য খাবার নিয়ে কোনরকম দুশ্চিন্তা করতে হয় না। বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে পানির দামও বাহিরের মূল্য থেকে একটু বেশি হয় বাহিরে যে সাধারণ পানি আপনি ২০ টাকায় পাবেন সেটি বাংলা বন্ধে জিরো পয়েন্টে ৫০ টাকা।

বাংলাবান্ধা যাওয়ার আগে আপনি কিছু শুকনো খাবার ও পানির সাথে নিয়ে যেতে পারেন। তাতে আপনি নিজে উপকৃত হবেন। এখানে এগুলোর মূল্য একটু বেশি হয়। তাই আপনি পানি বা অন্যান্য দরকারি জিনিস বাহির থেকে কিনে আনতে পারেন।

পরিশেষে:

যেকোনো জায়গা ভ্রমণের ক্ষেত্রে চেষ্টা করুন এক বা দুইদিন আগে সুটকেস গুছিয়ে ফেলার। আগে থেকে গুছিয়ে রাখলে আপনি কোন কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস ভুলে যাবেন না। ভিন্ন ভিন্ন ভ্রমণের ক্ষেত্রে গাড়ির প্রয়োজনীয়তা এক হয় না । তাই আপনি জায়গা বুঝে গাড়ি নির্বাচন করবেন।

এরপর আপনি প্রয়োজনীয় কিছু ঔষধ নিজের সাথে রাখতে পারেন। সব সময় নিজের সাথে সাধারণ কিছু ঔষধ রাখা ভালো। যা আপনার কাজে আসতে পারে। বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট ভ্রমণের ক্ষেত্রে আপনার প্রয়োজনীয় সকল তথ্য এখানে উল্লেখ করে দেয়া হয়েছে। যাতে বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট ভ্রমণের ক্ষেত্রে আপনার কোন অসুবিধা না হয়।

ঢাকা কিংবা ঢাকার বাইরে যেকোন প্রয়োজনে বা যেকোনো জায়গা ভ্রমণের ক্ষেত্রে রেন্ট এ কার সার্ভিস পেতে কল করুন১৬৫২৬।

Related Post

খুশির স্ট্যাটাস

200+ স্টাইলিশ খুশির স্ট্যাটাস | হাসি নিয়ে ক্যাপশন

খুশির স্ট্যাটাস | হাসি নিয়ে ক্যাপশন জীবনের সুন্দর খুশির মুহূর্ত আমরা সবাই বাঁধাই করে রাখতে চাই। আর এই খুশির মুহূর্তকে ধরে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায়

Read More »
❤love status bangla | ভালোবাসার ছন্দ | রোমান্টিক ছন্দ | প্রেম ছন্দ স্ট্যাটাস❤

স্টাইলিশ ভালোবাসার ছন্দ | রোমান্টিক ছন্দ | Love Status Bangla

❤❤ভালোবাসার ছন্দ | ভালোবাসার ছন্দ রোমান্টিক | ভালোবাসার ছন্দ স্ট্যাটাস❤❤ ভালোবাসা হলো এক অন্যরকম অনুভূতির নাম, যা শুধুমাত্র কাউকে ভালবাসলেই অনুভব করা যায়। আমরা বিভিন্নভাবে

Read More »
মন খারাপের স্ট্যাটাস

মন খারাপের স্ট্যাটাস, উক্তি, ছন্দ, ক্যাপশন, কিছু কথা ও লেখা

মন খারাপের স্ট্যাটাস মন খারাপ – এই কষ্টের অনুভূতি কার না হয়? সবারই কখনো না কখনো সবারই মন খারাপ হয়। জীবনের ছোটোখাটো অঘটন থেকে শুরু

Read More »
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের উক্তি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের উক্তি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের উক্তি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বলা হয় বিশ্বকবি। তিনি ছিলেন একজন বিচক্ষণ ও গুনী লেখক। প্রেম চিরন্তন এবং সত্য। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাঙালীর মনে প্রেমের

Read More »
ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা

ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা | Breakup Status Bangla

ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা আপনি কি আপনার প্রিয়জনের সাথে সম্পর্ক থেকে বের হয়ে এসেছেন? আর সেটা আপনি কোন ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা মাধ্যমে বোঝাতে চাচ্ছেন। তাহলে আপনি

Read More »

Leave a Comment

Table of Contents